“এলো পশ্চিমা পুলিশ। এদের বাবা-মা মানুষ কিনা আমার জানা নেই। তবে এরা আকৃতিতে মানুষ হলেও আসলে ছিল কুকুর।“
.
বগুড়া জেলার মোঃ জালাল উদ্দিন জানান, "১৯৭১ এর জুলাই আগষ্ট মাসের দিকে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী অধিক সামরিক শক্তি সরঞ্জাম নিয়ে সারিয়াকান্দিতে তাদের ঘাঁটি ফেলে। হানাদার বাহিনী বাঁধে যাওয়ার পথে বেণীপুর চরের তমিজউদ্দিন প্রামাণিকের ভগ্নিপতিকে সাপাড়ার রাস্তায় ধরে এবং রাইফেল দ্বারা আঘাত করে হত্যা করে। তারা প্রত্যেক দিন সকালে দল বেঁধে বিভিন্ন গ্রামে রুটিন মোতাবেক হামলা করত। নারী নির্যাতন, হত্যা, মারধোর ও লুন্ঠন করে মূল্যবান জিনিসপত্রাদি নিয়ে বিকালে তাদের ঘাঁটিতে ফিরত। এমনি একদিন গণকপাড়ায় যেয়ে তারা মুক্তি বাহিনীর হাতে আটকা পড়ে। সারাদিন সারারাত দু'দলের মধ্যে যুদ্ধ হয় কিন্তু মুক্তি বাহিনীর গুলি ফুরিয়ে যাওয়ায় পাকিস্তানী বাহিনী রক্ষা পায়।
.
অতর্কিতে হানা দিয়া পাক বাহিনী দেলুয়াবাড়ী গ্রাম হতে মুক্তিযোদ্ধা নজির হোসেন, সাহায্যকারী কোরবান আলী, মন্তেজার রহমান ও বাবু খাঁকে আটক করে। বাঁধের নিকট নিয়ে হাত পাঁ বেঁধে নজির হোসেনকে গুলি করে হত্যা করে এবং অপর তিনজনকে নিয়ে ঘাঁটিতে আসে। অতি কষ্টে পরে তারা মুক্তি পায়। কিন্তু মুক্তি পাওয়ার পর প্রায় সপ্তাহখানেক তাদের দু'জনকেই অজ্ঞান অবস্থায় দেখা গেছে। বাঙ্গালীর পশ্চিম পাড়, রামচন্দ্রপুর গ্রামে অপারেশন চালাতে গিয়ে মুক্তি বাহিনীর গুলিতে ছোট দারোগা নিহত হয় এবং সামরিক বাহিনীর একজন গুরুতররূপে আহত হয়।
.
মুক্তিবাহিনীর তৎপরতা রীতিমতো বেড়ে যায়। হানাদার বাহিনী বাইরে যাওয়া কম করে ফেলে। তাদের অত্যাচারে পলাতক বাড়িওয়ালাদের খাসী, মোরগ কুড়াতে থাকে। একদল হানাদার বাহিনী বগুড়া থেকে আসার পথে ফুলবাড়ী খেয়াঘাটে মুক্তিবাহিনী কর্তৃক আক্রান্ত হয়। খেউনিরুপী মুক্তিযোদ্ধা খেয়ার নৌকা নদীর মধ্যে আসলে গুলি ছুড়তে থাকে। ঘটনাস্থলেই তিনজন কনষ্টেবল প্রাণ হারায়। তারপর শুরু হয় স্থানীয় দোকানপাঠ লুন্ঠন। তবিবর মণ্ডলের দোকানের সম্মুখে ট্রাক রেখে মালপত্র বোঝাই করে সেগুলো রংপুরের গাইবান্ধায় পাচার করে। হাবিবুর প্রামাণিকের দোকান লুট করে এবং তাকে পর পর দুই দিন দোকানের মধ্যেই বেদম প্রহার করে। নৌকাতে পাঠ উঠানোর অভিযোগে দৌলতুজ্জামান তরফদার সাহেবকে ভীষণ মারধোর করে। তখন মুক্তি বাহিনীর আর সহ্য হয় না। এদিকে সোজাসুজিও তারা মিলিটারীদের ঘাঁটিতে হানা দিতে পারে না। কারন পাকিস্তানী বাহিনীর ক্যাম্পে হানা দিলে আশেপাশের গ্রাম পুড়িয়ে ছারখার করে দেয় এবং লোকজন মেরে সাফ করে ফেলে। তবুও সময় ঠিক করে একদিন মুক্তি বাহিনীর তৎপরতা আরো বৃদ্ধি পায়। পাকিস্তানী বাহিনীর এই খবর বগুড়ায় তাদের ঘাঁটিতে পৌঁছিয়ে দেয়ার পর সামরিক বাহিনীর লোককে সারিয়াকান্দি পাঠিয়ে তাদের শক্তি বৃদ্ধি করে।
.
সারিয়াকান্দি বাজারের সমস্ত বাড়ী ও দোকানপাট তল্লাশী চালিয়ে মালেক মণ্ডলের দোকান হতে বাংলাদেশের পতাকা উদ্ধার করে। ফলে তার দোকানের সমস্ত মালপত্র থানাতে উঠাবার আদেশ দেয়। তারপর মন্তেজা রহমান মণ্ডলকে পাকিস্তানী পতাকা না উঠাবার অভিযোগে আটক করে তাদের সামরিক গাড়িতে উঠায়ে নেয়। মফিজ মাষ্টার সাহেবের বাড়ীতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং তার বাড়ীতে পাহারারত কামলা খটটুর বাবাকে আটক করে এবং গাড়ীতে তুলে নেয়। জামাল ডাক্তারের শ্বশুর ময়েজ ডাক্তার, জামাল ডাক্তার, মালেক মণ্ডলের ছেলে এবং অন্যান্য বেশ কিছু লোককে হানাদার বাহিনীর জোয়ানরা আটক করে। সামরিক বাহিনীর উক্ত দলের নেতৃত্ব দিচ্ছিল লেফটেন্যান্ট আতিক। মালেক মণ্ডলের ছেলেকে থানায় তার বুকে পায়ের শক্ত জুতার দ্বারা বার কয়েক আঘাত করে। ফলে সে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যায় এবং তার মুখ হতে রক্ত বের হতে থাকে। সকলকে নিয়ে বাউলে আটা ঘাঁটিতে চলে যায় এবং রাতে তাদের প্রতি অবর্ণনীয় নির্যাতন চালায়। তাদের ঘাঁটিতে রেখে জামাল ডাক্তারের বাসায় পুনরায় আসে এবং তার স্ত্রীকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। তার স্ত্রীকে না পেয়ে তার শ্বাশুড়ীকে ধরে মোটরে উঠায় ও তার মেয়েকে বের করে দেয়ার জন্য ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে।
.
রাত্রিতে মুক্তিবাহিনী অতর্কিতে থানা আক্রমণ করে। তখন সারিয়াকান্দি থানায় মিলিটারী ছিল। থানা আক্রমনের পরপরই ভীষণ বৃষ্টি আরম্ভ হয়। দুই পক্ষের ভীষণ গোলাগুলি হয় কিন্তু বৃষ্টির বেগ আরো প্রবল হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধারা ফিরে যেতে বাধ্য হয়। তারপর প্রায়ই খবর পাওয়া যেতে লাগল আজ এ দালাল খতম, কাল ও দালাল খতম। পাকিস্তানী বাহিনী তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার দেখতে লাগল। ইতিমধ্যে থানায় পশ্চিম ও,সি কে পাঠানো হয়েছে। তার চেষ্টায় প্রায় ৭০/৮০ জন রাজাকার সংগ্রহ করা হয়েছে। এলো পশ্চিমা পুলিশ। এদের বাবা-মা মানুষ কিনা আমার জানা নেই। তবে এরা আকৃতিতে মানুষ হলেও আসলে ছিল কুকুর। মুক্তিবাহিনীর তৎপরতায় তাদের যাতায়াত বন্ধ করে দেয়া হল। রাজাকাররূপী একজন মুক্তিবাহিনীর ছেলেকে তারা টের পেয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে এবং হাত-পা কেটে নদীতে ফেলে দেয়। সারিয়াকান্দি এক্সচেঞ্জ হতে পাক
FB LIke Bottom
Friday, November 20, 2015
“এলো পশ্চিমা পুলিশ। এদের বাবা-মা মানুষ কিনা আমার জানা নেই। তবে এরা আকৃতিতে মানুষ হলেও আসলে ছিল কুকুর।“
দেশে ফিরছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান সোহেল তাজ।
দেশে ফিরছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান সোহেল তাজ।
তিনি বাংলাদেশ সরকারের স্বরাস্ট্রপ্রতিমন্ত্রী হবার পর জনগন ভেবেছিল তাজউদ্দীন পরিবারের সন্তান দেশকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে পারবেন,সে পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি,আপোষহীন মন্ত্রী হিসেবে অল্পদিনের মধ্যে নিজেকে প্রমাণ দিয়েছিলেন।কিন্তু এক রহস্যজনক কারনে তাকে পদত্যাগ করতে হয়েছে।দেশের মানুষ সঠিক তথ্য জানেনা বলে সবাই দোষ দিয়েছিলেন সোহেল তাজকে।মিড়িয়ার সন্মানিত সাংবাদিক বলেছিলেন, সোহেল তাজ পদত্যাগের নামে নাটক করছেন।কিন্তু আসলে কি তিনি নাটক করেছিলেন?
থাক সে সব পুরানো কথা,কথার পিছনে কথা থাকে, ঘটনার পিছনে ঘটনা,সে সকল পুরানো কথা বলে লাভ নাই।
নতুন করে নতুন দিনের স্বপ্ন দেখছি আমরা। গত কিছুদিন ধরে শোনা যাচ্ছিলো সোহেল তাজ দেশে ফিরবেন, নেত্রীর সাথে শক্ত হাতে ধরবেন তার বাবার আদর্শে গড়া নৌকার হাল।
হ্যাঁ সোহেল তাজ দেশে ফিরছেন।
গত ১৬ নভেম্বর ২০১৫ ভোর ৩:৪০ মিনিটে দেশে ফিরছেন তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।আগের মত আবার দলের পক্ষে রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন তিনি।এই আপোষহীন নেতার জন্য শুভ কামনা রইলো।
Sunday, November 15, 2015
ভয়াল সিডরের আট বছর বলেশ্বর পারে আজও কাঁদেন হানিফ খাঁ ভয়াল ১৫ নভেম্বর আজ।
ভয়াল সিডরের আট বছর
বলেশ্বর পারে আজও কাঁদেন হানিফ খাঁ
ভয়াল ১৫ নভেম্বর আজ। সাগর উপকূলবর্তী জেলা পিরোজপুরের লাখো মানুষের কাছে এটি একটি আতঙ্কের দিন। ২০০৭ সালের এই দিনে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় সিডরে জীবন, জনপদ আর জীবিকা সম্পূর্ণ তছনছ হয়ে গিয়েছিল। ওই রাতে ঘণ্টায় ২৫০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে পাঁচ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাসে পুরো জেলা বিরাণ ভূমিতে পরিণত হয়। মৃত্যুকূপে পরিণত হয় জেলার মঠবাড়িয়ার খেতাচিড়া, ভাণ্ডারিয়ার হরিণপালা ও জিয়ানগরের কলরন চণ্ডীপুর এলাকা।
সেদিনের রুদ্রমূর্তি প্রকৃতি কেড়ে নেয় প্রায় সাড়ে পাঁচ শ মানুষ। উপড়ে পড়ে গাছপালা, ভাসিয়ে নিয়ে যায় হাঁস-মুরগি, গবাদি পশু। সেই কাল রাতের কথা পিরোজপুরের বিভিন্ন জনপদের মানুষ এখনো মনে করে শিউরে ওঠে। আজও সেদিনের ভয়াবহতা মনে করে আঁতকে ওঠে উপকূলবাসী। কেউ কেউ সব হারিয়ে বসতি গড়েছে বেড়িবাঁধের ওপর। মঠবাড়িয়ার খেতাচিড়া গ্রামের অশীতিপর হানিফ খাঁ সৃষ্টিকর্তার করুণা চেয়ে এখনো প্রমত্তা বলেশ্বরের পারে বসে কোরআন শরিফ তেলাওয়াত করেন। হানিফ খাঁ বলেন, 'আমি প্রতিদিন নদীর কিনারে বসে কোরআন পড়ে নদীকে সাক্ষী রেখে মৃত স্বজনদের জন্য দোয়া করি। আমি চাই না, এমন একটি ভয়াবহ দিন আবার ফিরে আসুক।'
পিরোজপুরের সর্ব দক্ষিণে সাগর উপকূলবর্তী ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত উপজেলা মঠবাড়িয়া। প্রায় তিন লাখ মানুষ অধ্যুষিত এ উপজেলার আয়তন ৩৫৬ বর্গকিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড় সিডরে মঠবাড়িয়ার ১১টি ইউনিয়নই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সিডর-পরবর্তী সেখানে আজও কোনো টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মিত না হওয়ায় আতঙ্কিত ওই জনপদের অধিকাংশ জেলে, কৃষক ও প্রান্তিক মানুষ। বলেশ্বর নদের কূল ও বাঁধের ওপরই তাদের বসবাস। নভেম্বর এলেই আতঙ্ক ও অজানা শঙ্কা ঘিরে ধরে তাদের। এখানে নেই পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার, নেই উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাও। সারা বছরই প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হয় এখানকার মানুষকে।
সিডরে উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত খেতাছিড়া, কচুবুনিয়া, ভাইজোড়া ও তাফালবাড়িয়া গ্রাম একেবারে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সে রাতে। এ ছাড়া, ঝড়, বন্যাসহ প্রাকৃতিক যেকোনো দুর্যোগে এ এলাকার মানুষ ঝুঁকিতে থাকে। প্রমত্তা বলেশ্বর নদের হাত থেকে এখানকার প্রান্তিক মানুষকে রক্ষার জন্য টেকসই বেড়িবাঁধ না থাকায় মানুষজন এখনো সে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারেনি।
সেদিনের দুঃসহ স্মৃতি মনে করে কেঁদে ওঠেন নদীর কিনারে বসবাসরত পূর্ব চণ্ডীপুর গ্রামের জেলে ইব্রাহীম শেখ। তিনি বলেন, তিন সন্তান হারানোর বেদনাময় স্মৃতি আজও ভুলতে পারেননি তিনি। সেদিন ভাগ্যক্রমে তিনি ও তাঁর স্ত্রী বেঁচে গেলেও দুই দিন পর এক কিলোমিটার দূরে মালবাড়ি ব্রিজের কাছে ধানক্ষেতে তাঁর তিন সন্তানের লাশ পাওয়া যায়। চার বছরের মেয়ে চাঁদনিকে হারিয়ে এখনো মূর্ছা যান খাদিজা বেগম। সন্তানকে হারানোর কথা বর্ণনা করতে গিয়ে তার ছবি বুকে জড়িয়ে অঝোর ধারায় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
পূর্ব চরবলেশ্বর গ্রামের দিনমজুর মতিউরের স্ত্রী লাল বানু সেদিন তিন সন্তান নিয়ে পাশের একটি এনজিও অফিসে আশ্রয় নিতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু রাস্তায় বের হতেই পানি ভাসিয়ে নিয়ে যায় তাদের। তিন দিন পর লাল বানুকে চার বছরের মেয়ে কুলছুম ও দুই বছরের ছেলে সাকিবকে বুকে জড়ানো অবস্থায় বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরে ধানক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার করে এলাকাবাসী। ভাগ্যক্রমে সেদিন বেঁচে গেলেও স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হারিয়ে আজও নির্বাক মতিউর।
পূর্ব চণ্ডীপুর গ্রামের জেলে মনির বলেন, সেদিন বড় পাতিলে করে ভাসিয়ে নিয়ে তাঁর দুই শিশুকে বাঁচিয়েছেন। ওই গ্রামের সোহাগ বলে, সিডরের সময় তার বয়স ছিল পাঁচ বছর। সেদিন তারা আটজন শিশু তিন ঘণ্টা চেষ্টায় একটি আম গাছের ডাল ধরে জীবন বাঁচায়।
সিডর আক্রান্ত ফাতেমা বেগম বলেন, 'সেদিন অনেককে পানির তোড়ে ভেসে যেতে দেখেছি। সন্তান বেঁচে থাকলেও সব হারিয়ে এখন বেড়িবাঁধে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাস করছি।' সিডর আক্রান্ত সবহারা প্রায় এক হাজার পরিবার এ বেড়িবাঁধে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে নিয়েছে। সিডরে মা-হারা সাইদুল জানান, সেদিন বাবা-মা একে অন্যের হাত ধরা থাকলেও পানির তোড়ে দুজন দুই দিকে চলে যান। বাবা বেঁচে থাকলেও তিন দিন পর মায়ের লাশ একটি পুকুরের মধ্যে গাছে চাপা পড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। ভাঙা বেড়িবাঁধ না সারলে বড় ধরনের বিপদ হতে পারে বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র রফিউদ্দিন আহমেদ জানান, বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ১৪ কিলোমিটারের বেশি বেড়িবাঁধ নির্মাণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য ব্যয় হবে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা। টেকসই এসব বাঁধ নির্মিত হলে এ ইউনিয়নের জানমাল, ঘরবাড়ি ও ফসল ঝড়-জলোচ্ছ্বাস ও নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা পাবে।
মঠবাড়িয়ার সাপলেজা ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম জমাদ্দার জানান, প্রতি বছর সৃষ্ট প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে উপকূলের মানুষের জানমাল রক্ষায় সরকার ও দাতা সংস্থার নেওয়া প্রকল্পগুলো দীর্ঘমেয়াদি,
রংপুরের গ্রামাঞ্চলে নবান্নের আয়োজন আজ ১ অগ্রহায়ণ। দিনটি জাতীয় কৃষি দিবস হিসেবে ঘোষণা হওয়ায় এদিনেই নবান্ন উৎসব হিসেবেই বেছে নিয়েছেন কৃষকরা।
রংপুরের গ্রামাঞ্চলে নবান্নের আয়োজন
আজ ১ অগ্রহায়ণ। দিনটি জাতীয় কৃষি দিবস হিসেবে ঘোষণা হওয়ায় এদিনেই নবান্ন উৎসব হিসেবেই বেছে নিয়েছেন কৃষকরা। নতুন ধানে নবান্ন আয়োজনকে ঘিরে শস্যভান্ডার বলে পরিচিত রংপুরের গ্রামাঞ্চলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
ধান কাটার মহোৎসব চলছে। কৃষক-কৃষাণী বসে নেই কেউ। পিঠা-পায়েসসহ নবান্নের আয়োজনে কেউ বা ধান কাটছেন, কেউ বা করছেন মাড়াই। গৃহবধূরা ঢেঁকি কিংবা উরুন-গাইনে ধান থেকে চাল তৈরি করছেন। দিনরাত চলছে রোপা আমন ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ। পা চালিত ধান মাড়াই যন্ত্রের ঘরঘর শব্দে গ্রামের পরিবেশটাই যেন পাল্টে গেছে।
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মিটারী ইউনিয়নের আনুর বাজার গ্রামের রমজান আলীর স্ত্রী ইয়াসমিন আরা গতকাল বিকেলে ‘উরুন-গাইনে’ নতুন ধানের চাল থেকে আটা তৈরি করছিলেন। তিনি বলেন, ‘নবান্নের দিনে পিঠা-পায়েস না খাইলে কি হয়!’ কোলকোন্দ ইউনিয়নের দক্ষিণ কোলকোন্দ গ্রামের কৃষক আব্দুর রহমান জানান, ‘যদিও আগাম জাতের ধান অনেক আগেই কাটা হয়েছে, তারপরও আমরা কয়েক বছর থেকে অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম তারিখেই নবান্নের আয়োজন করে থাকি।’ কাউনিয়া উপজেলার শহীদবাগ ইউনিয়নের বল্লভবিষু গ্রামের এন্তাজ আলী বলেন, একই দিনে গ্রামে নবান্ন উৎসবের আয়োজনে খুব মজা হয়। পীরগাছা উপজেলার কল্যাণী ইউনিয়নের তালুক উপাসু গ্রামের ভাই ভাই চাল কলে গিয়ে দেখা যায়, ধান ভাঙতে উপচে পড়া ভিড়। চালকলের মালিক শাহ আলম জানান, এক মাস আগে থেকেই আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হলেও তেমন ভিড় ছিল না। কিন্তু ১ অগ্রহায়ণ নবান্নকে ঘিরে দু’দিন থেকে কৃষকরা ধান ভাঙতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। কৃষকরা জানান, আজ নবান্নের দিনে নতুন ধানের পিঠা-পায়েসসহ ভাল খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ প্রার্থনা করা হবে যাতে আগামীতেও মহাধুমধামের সাথে নবান্ন উৎসব পালন করা যায়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলায় পাঁচ লাখ ৮২ হাজার ৯৬৭ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। এরমধ্যে স্বল্পমেয়াদী ও আগাম জাতের ধান কৃষকের ঘরে উঠতে শুরু করেছে। এ বছর অতিবৃষ্টিসহ নানা প্রতিকূলতার পরও আশানুরুপ ফলন হয়েছে বলেও সূত্র জানায়।
Saturday, November 14, 2015
৯৩ দিন জ্বালাও- পোড়াও করে নাকে খত দিয়ে বিএনপি নেত্রী বাড়ি ফিরেছেন। এতিমদের টাকা আত্মসাত করে আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন।
৯৩ দিন জ্বালাও- পোড়াও করে নাকে খত দিয়ে বিএনপি নেত্রী বাড়ি ফিরেছেন। এতিমদের টাকা আত্মসাত করে আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন। এখন বিদেশে বসে মানুষ হত্যার নির্দেশ দিচ্ছেন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ৯৩ দিন জ্বালাও- পোড়াও করে নাকে খত দিয়ে বিএনপি নেত্রী বাড়ি ফিরেছেন। এতিমদের টাকা আত্মসাত করে আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন। এখন বিদেশে বসে মানুষ হত্যার নির্দেশ দিচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বগুড়ার আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক জনসভায় একথা বলেন তিনি।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দীন।
শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা-তারেক দেশকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বানাতে চায় কিন্তু এ দেশের মানুষ তা হতে দেবে না। তারা সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সর্তক থাকার আহ্বান জানান।
বগুড়ার মানুষদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের একজন পুত্রবধূ রয়েছে। তার রয়েছে এক কুলাঙ্গা সন্তান।তাদের বলুন, আগামীতে জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতি বন্ধ করলে ২০২১ সালের আগেই মধ্যম আয়ের দেশ পরিণত হবে বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, বগুড়া থেকে আমরা ২/১ টি আসন পেলেও উন্নয়নের বিষয়ে অবহেলা করেনি। আমরা মানুষকে কখনই অবহেলা করি না। বগুড়ার উন্নয়নে আওয়ামী লীগ অনেক কাজ করেছে। আগামীতেও করবে।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমরা বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় করতে চেয়েছিলাম কিন্তু তারা তা করতে দেয়নি।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯ প্রকল্পের উদ্বাধন করেন ও ১৫ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন করেন।
Thursday, November 12, 2015
নাবালিকা ঐশীকে দুইবার মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করে আদালতের রায়ে আমি শোকাহত মর্মাহত হতাশ!!
নাবালিকা ঐশীকে দুইবার মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করে আদালতের রায়ে আমি শোকাহত মর্মাহত হতাশ!!
**********************************************************
মাননীয় আদালতের কাছে বিনীত জিজ্ঞাসা ঘটনার সময় ঐশী নাবালিকা ও মাদকাশক্ত ছিল।ঐ সময়ে দুইজন বয়স্ক মানুষকে ঐশী রহমান একা হত্যা করেছে এটা অবিশ্বাস্য একটি নাটক নয়কি? ঐশীকে ফাঁসী আর তার বন্ধুকে কারাবন্দী সময়কে কারাদন্ডের অংশ বিবেচনা করে মধুময়শাস্তি হিসাবে মুক্তির নির্দেশ কি বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহার নয়?
১৮৮৬ সালের প্যানেল কোডে ঐশীর ফাঁসী!!
ঐশীর বাবা বিয়ে করেছেন ১৯৯৪ সালে ঐশীর আইনজীবির দাবি ঐশীর জন্ম ১৯৯৬ সালে হত্যাকান্ডের ঘটনার সময় ঐশী একজন নাবালিকা ।
আজ বিজ্ঞ আদালতের অনভিজ্ঞ রায়ে ঐশী রহমানকে ফাঁসীর আদেশ দিয়েছেন।
মা ও বাবাকে হত্যার অভিযোগে এই আদেশ দেন আদালত।অপরাধের বিচার হবে এটা সবারই কাম্য। উচ্চাদালতে এবিচার সঠিক পথটি ও ন্যায় বিচার প্রত্যাশা রইলো আমাদর।
প্রথম সন্তানের মা হওয়ার আনন্দে এই মুহূর্তে বেশ খুশি টিউলিপ। তবে মাতৃত্বকালীন ছুটির কারণে নিজ নির্বাচনী এলাকার জনগণ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন সে বিষয়ে বেশ সচেতন তিনি।
মা হতে যাচ্ছেন টিউলিপ
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের লেবার পার্টির সংসদ সদস্য (এমপি) ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি শেখ রেহানা কন্যা টিউলিপ সিদ্দিক মা হতে যাচ্ছেন।
লন্ডনের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজেই এ খবর দিয়েছেন টিউলিপ।
প্রথম সন্তানের মা হওয়ার আনন্দে এই মুহূর্তে বেশ খুশি টিউলিপ। তবে মাতৃত্বকালীন ছুটির কারণে নিজ নির্বাচনী এলাকার জনগণ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন সে বিষয়ে বেশ সচেতন তিনি। সব কিছু ঠিক থাকলে ২০১৬ সালের এপ্রিলে মা হতে যাচ্ছেন তিনি।
টিউলিপ বলেন, নির্বাচনী এলাকার কাজে যাতে কোনো ধরনের প্রভাব না পড়ে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘এমপির দায়িত্ব পালনকালে মা হয়েছেন এমন নারী রেচেল রিভের সঙ্গে আমি কথা বলেছি, পরামর্শ নিয়েছি কীভাবে সবকিছু ম্যানেজ করা যায়।’
প্রথম সন্তান নিজ নির্বাচনী এলাকার স্থানীয় হ্যামস্টেড রয়েল ফ্রি হাসপাতালে জন্ম দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন টিউলিপ।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নতুন এমপিদের মধ্যে স্মরণীয় বক্তৃতার জন্য টপ সাত এ স্থান পাওয়া টিউলিপ সিদ্দিক ২০১৩ সালে সেন্ট জনস পার্সি'র সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
ওই সময় তিনি একজন কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বিয়ে পরবর্তী অনুষ্ঠানে খালা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন।
ব্রিটেনের রাজনৈতিক অঙ্গনে টিউলিপ সিদ্দিককে লেবার পার্টির একজন উদীয়মান তারকা রাজনীতিক হিসেবেই বিবেচনা করা হয়।
সম্প্রতি ছায়া মন্ত্রিসভার পার্লামেন্টারি প্রাইভেট সেক্রেটারি মনোনীত হয়েছেন তিনি।
স্বপ্নের মেরিন ড্রাইভ সাগর, পাহাড় ও ঝর্ণাকে সঙ্গী করে পথ চলার অভূতপূৰ্ব স্বপ্ন আর দূরে নয়
স্বপ্নের মেরিন ড্রাইভ
সাগর, পাহাড় ও ঝর্ণাকে সঙ্গী করে পথ চলার অভূতপূৰ্ব স্বপ্ন আর দূরে নয়। বছর দেড়েকের মধ্যে মেরিন ড্রাইভ (সমুদ্র তীরবর্তী সড়ক) সড়কের কাজ শেষ হলেই এ সুযোগ খুলবে দেশি বিদেশি পর্যটকদের সামনে।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে হিমছড়ি ও ইনানী হয়ে টেকনাফ পর্যন্ত ৮২ কিলোমিটার সমুদ্র তীরে গাড়ি চালিয়ে নীল জলরাশি ও ঢেউয়ের খেলা উপভোগ করবেন পর্যটক।
প্রকল্পের মেয়াদ অনুযায়ী, কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভের কাজ শেষ হবে ২০১৭ সালে। সে লক্ষে কাজ এগিয়ে নিচ্ছে সেনাবাহিনী।
তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালকে পর্যটন বর্ষ ঘোষণা দেয়ায় আরও গুরুত্ব পাচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের এই মেরিন ড্রাইভ প্রকল্প।
কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ প্রকল্প পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আব্দুল ওহাব জানান, ‘আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সড়কটির ৪৮ কিলোমিটারের কাজ শেষ হবে।’
তিনি বলেন, সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ের উপর দিয়ে রাস্তা বের করা ছিলো সত্যিই একটি দু:সাহসিক চ্যালেঞ্জ। ১৯৯৫ সালে যখন কলাতলী থেকে কাজ শুরু হয় তখন শুরুতেই দুই কিলোমিটার রাস্তা সমুদ্রের ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে যায়।
তারপর থেকে ঢেউ সরিয়ে তার উপর রাস্তা তৈরির কৌশল খোঁজা হতে থাকে। তখন ওয়াহাবসহ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের কয়েকজন কর্মকর্তা বিভিন্ন দেশে সমুদ্র তীর রক্ষা এবং মেরিন ড্রাইভ পরিদর্শন করে এসে নিজস্ব একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন।
সেই ‘টেট্রাপড’ নামের পদ্ধতি দিয়ে এখন সমুদ্রের উপর সড়ক নির্মাণ চ্যালেঞ্জ-এ সফল হয়েছেন তারা। ভারতের তাজ হোটেলের সামনে একই আদলের পদ্ধতি অনুসরণ করে সমুদ্রের ঢেউ থেকে তীর রক্ষা করা হচেছ বলে উল্লেখ করেন এই উর্ধতন সেনা কর্মকর্তা।
সম্প্রতি মেরিন ড্রাইভ প্রকল্প ঘুরে আসেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। এ সময় তিনি ইনানী বড় ও ছোট খাল নামে দুটি সেতু উদ্বোধন করেন।
মন্ত্রী এ ব্যাপারে বলেন, সেতু দুটি আকারে ছোট হলেও মেরিন ড্রাইভ প্রকল্পের জন্য ছিলো ‘মিসিং লিংক’। সেতু চালু হওয়ায় এখনই কক্সবাজার থেকে ইনানী পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভের সুযোগ থাকছে।’
মন্ত্রী ইনানী বিচকে পযটকদের একটি ‘ড্রিম পয়েন্ট’ উল্লেখ করে বলেন, ‘ইনানী বিচে আসতে আগে পর্যটকদের কিছুটা ঘুরে আসতে হতো। এখন মেরিন ড্রাইভ রোড ধরেই ইনানী আসতে কোন সমস্যা হবে না।
ওবায়দুল কাদের জানান, ১৯৮৮ সালে সেনাবাহিনী মেরিন ড্রাইভের কাজ শুরু করে। অর্থাভাবে এতোদিন ধরে থেমেছিলো স্বপ্নের প্রকল্পটি। বর্তমান সরকার ২৩২ কোটি টাকা দিয়ে জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন করে ২৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছে।
২০১৭ সালের জুনের মধ্যে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভের কাজ শেষ হবে বলে জানান মন্ত্রী।
পাশাপাশি চট্টগ্রামের মিরেরসরাই থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত আরও একটি মেরিনড্রাইভ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয়ার কথা জানান তিনি।
এদিকে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভের নির্মাণ শেষ হলেই বিশ্ব পর্যটনের অন্যতম দুয়ার হতে পারে মেরিন ড্রাইভ সড়কটি। পূর্বে পাহাড়, পশ্চিমে সমুদ্র রেখে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ ভ্রমণে পর্যটকদের অপেক্ষা করতে হবে আরও ২০ মাস।