FB LIke Bottom

Wednesday, September 30, 2015

ঢাকার ধামরাইয়ে সূয়াপুর এলাকায় এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

ঢাকার ধামরাইয়ে সূয়াপুর এলাকায় এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এলাকাবাসী ধর্ষককে আটক করে ইউপি সদস্য কাছে সোর্পদ করার পর ধর্ষককে ছেড়ে দিয়েছে ইউপি সদস্য। ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন ধামরাই থানা পুলিশ।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার সূয়াপুর ইউনিয়নের শিয়ালকুল গ্রামের খোরশেদ আলীর স্ত্রী রেহেনা বেগম (৩৫) গত মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ওষুধ আনার জন্য সূয়াপুর বাজারে যায়। ওষুধ নিয়ে বাড়ীতে যাওয়ার পথে মধ্যে নিরঝন জায়গা বাশঁঝারের মধ্যে আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা শিয়ালকুল গ্রামের মৃত আছান উল্লাহর ছেলে সদর উদ্দিন (৪০) ওই গৃহবধূকে একা পেয়ে জোর করে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই অসহায় গৃহবধূ চিৎকার দিলে এলাকার শত শত নারী পুরুষ এসে লম্পট ধর্ষক সদর উদ্দিনকে হাতে-নাতে আটক করে। এ সময় ধর্ষক সদর উদ্দিন ফোন করে সূয়াপুর ইউপি সদস্য প্রভাদ চন্দ্র সূত্র ধরকে ঘটনাস্থলে আনেন। এলাকাবাসী ওই ইউপি সদস্য প্রভাদের কাছে ধর্ষককে সোর্পদ করে পুলিশে খবর দেয়। সূয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদে ভিতর ধর্ষককে আটক করে রাখা হবে বলে ঘটনাস্থল থেকে মেব্বার প্রভাদ ধর্ষককে নিয়ে আসেন। কিন্তু পথে মধ্যে ওই ধর্ষককে ছেড়ে দেয় মেব্বার প্রভাদ। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ওই রাতেই উত্তেজিত জনতা ইউপি পরিষদে ঘেরাও করে। পরে ধামরাই থানার উপ-পুলিশ পরির্দশক শফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করে। পরে বুধবার সকাল ১০টার দিকে রেহেনা আক্তার বাদী হয়ে সদর উদ্দনকে আসামী করে ধামরাই থানায় একটি ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনায় ধর্ষিতা রেহেনা আক্তার জানান,তিনি বাজার থেকে ওষুধ নিয়ে বাড়ী ফেরার পথে তাকে একা পেয়ে সদর উদ্দিন জোর করে ধর্ষণ করেছেন। তিনি আরো জানান,সদর উদ্দিনের বিচার চান। এ বিষয়ে সূয়াপুর ইউপি সদস্য শ্রী প্রভাদ সূত্র ধর জানান,ধর্ষক সদর উদ্দিনকে জনতা আমার হাতে তুলে দেয় ঠিকই। কিন্তু পথে মধ্যে তিনি পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে ধামরাই থানার এস আই শফিকুল ইসলাম বলেন,ধর্ষিতা মামলা দিলে আমরা মামলা নেব।

গ্রাম্য শালিসে বসেন স্থানীয় মাতাব্বরা। ওই শালিসে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসী

ঢাকার ধামরাইয়ে শ্রীরামপুর এলাকায় জমি-জমা বিরোধকে কেন্দ্র করে এক গ্রাম্য শালিসে বসেন স্থানীয় মাতাব্বরা। ওই শালিসে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসী বাহিনী এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় ব্যাপক ভাংচুর লুটপাট করেছে হামলাকারিরা। এ বিষয়ে ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার সূতিপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের হাসান আলীর দু’ ছেলে আনোয়ার হোসেন সুবহান ও মোঃ বোরহান হোসেন সৌদি আরবে থাকেন। ওই দু’ভাই শ্রীরামপুর গ্রামের সাড়ে ৫ শতাংশ জমি তাদের মা আনোয়ারা বেগমের নামে ক্রয় করে। ওই জমি ক্রয় করে বাড়ীতে দু’ ভাইয়ের জন্য দু’টি ঘর ও মা বাবার জন্য একটি সুন্দর ঘর দেন। সুখের সংসার চলছে তাদের। হাসান আলীর হাসনা বেগম নামের একটি মেয়ে রয়েছে। তাকে একই এলাকায় নাসির হোসেন কাছে বিয়ে দেয়। হাসান আলীর ওই দু’ছেলে মার নামে দেওয়া সাড়ে ৫ শতাংশ মা আনোয়ারা বেগম দু’ছেলে সুবহান ও বোরহানকে বঞ্চিত করে তার মেয়ে হাসনা বেগমের নামে দলিল করে দেন। জমি পাওয়ার পরেই মেয়ে হাসনা বেগম ওই জমি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে দখল করার জন্য চেষ্টা করে। এ ঘটনায় এলাকার মাতাব্বরা মিমাংশ করার জন্য গত মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হাসান আলীর বাড়ীতে বসেন। এ সময় হাসনা বেগমের স্বামী নাসির হোসেন ও ছেলে হুমায়নসহ ১০-১৫ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী মাতাব্বরদের উপর হামলা চালায়। এতে মাতাব্বরা মার খাওয়ার ভয়ে ওই বাড়ী ছেড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় ওই সন্ত্রাসী বাহিনী আনোয়ার হোসেন সুবহান ও বোরহানের বাড়ী ঘরের ভিতর ছুকেস,আলমারী,টিভিসহ বিভিন্ন আসবার পত্র ভাংচুর ও লুটপাট করে। এ ঘটনায় ওই রাতেই ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন ধামরাই থানা পুলিশ। এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেন স্ত্রী ছফুরা আক্তার ও বোরহান হোসেনের স্ত্রী লায়লা আক্তার জানান,মাতাব্বরদের উপর হামলা চালায় নাসির হোসেন ও তার ছেলে হুমায়ুনসহ সন্ত্রাসী বাহিনী।এ বিষয়ে শ্রীরামপুর মাতাব্বর হেলাল হাজীসহ প্রায় ২০-২৫ মাতাব্বর জানান,নাসির হোসেন ও তার ছেলে হুমায়ুন সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে মাতাব্বরদের উপর হামলা চালায়। এ ব্যাপারে ধামরাই থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই আলমগীর হোসেন বলেন,বিষয়টি তদন্ত করে দেখতেছি।

ধামরাইয়ে নৌপথে মানব পাচারকারির সক্রিয় নারীসহ ২ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

ধামরাইয়ে নৌপথে মানব পাচারকারির সক্রিয় নারীসহ ২ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে উপজেলার সুয়াপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,উপজেলার সূয়াপুর গ্রামের মান্নান মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া (৩৮) ও দেলধা গ্রামের লাভলু মিয়ার স্ত্রী নয়ন তারা (৩৫) এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নৌপথে মানব পাচার কাজ করছিলও বলে ধামরাই থানায় অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। বুধবার দুপুর ২টার দিকে ধামরাই থানার উপ-পুলিশ পরির্দশক (এস আই ) হায়দার আলী ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে মানব প্রাচারকারির অপরাধে বাবুল মিয়া ও নয়ন তারাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ বিষয়ে ধামরাই থানার সেকেন্ড অফিসার আলমগীর হোসেন বলেন,মানব পাচার বিষয়ে যাচাই-বাচাই চলছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘বিশ্বের গর্ব’

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য ইভেট ডায়ান ক্লার্ক সোমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘বিশ্বের গর্ব’ আখ্যায়িত করে বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের উচিত তাঁকে সমর্থন করা।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার প্রাপ্তি উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা কেবলমাত্র আপনাদের (বাংলাদেশীদের) গর্ব নয়- তিনি আমাদেরও গর্ব। তিনি আমাদের সকলের সেরা।’

ক্লার্ক আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর (শেখ হাসিনা) প্রতি অবশ্যই আপনাদের (বাংলাদেশীদের) সমর্থন থাকা উচিত।

হোটেল হিলটনে আওয়ামী লীগ ইউএস চ্যাপ্টার আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশী ও প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরা অংশ নেন।

বাংলাদেশী প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘ পরিবেশ সংক্রান্ত সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’ প্রদান করে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিষয় মোকাবেলায় বাংলাদেশের সুদূরপ্রসারি উদ্যোগের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।

ক্লার্ক বলেন, ‘(শেখ হাসিনার) দূরদৃষ্টি ও কর্মসূচির জন্যই তাঁকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। আমার কাছে তা কোন বিস্ময়ের বিষয় নয়।’

ক্লার্ক নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্রেট দলীয় সদস্য। তাছাড়া তিনি বর্তমানে উদ্ভুত হুমকি, সাইবার নিরাপত্তা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সাব-কমিটির র্যাং কিং সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।

ক্লার্ক ২০০৭ সালে কংগ্রেস সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগে নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন।

জরুরী ভিত্তিতে সাংবাদিক খুঁজছি, আজই যোগাযোগ করুন…..

জরুরী ভিত্তিতে সাংবাদিক খুঁজছি, আজই যোগাযোগ করুন…..

ঢাকা: কোতয়ালী, লালবাগ, নিউ মার্কেট, শাহাবাগ, রমনা থানা, ধানমন্ডি, উত্তরখান, তুরাগ, এয়ারপোর্ট, উত্তরা, পল্টন, খিলগাও, কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ, ক্যান্টনমেন্ট, বাড্ডা, গুলশান, দক্ষিনখান, তেজগাঁও, জয়দেবপুর, নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, দক্ষিন কেরানীগঞ্জ, আশুলিয়া, দোহার, সাভার,  টংগী, শাহআলী থানা, সবুজবাগ, মতিঝিল,  যাত্রাবাড়ী,  শ্যামপুর, সুত্রাপু্‌র, ডেমরা,  কাফরুল,  মিরপুর,  আদাবর,  পল্লবী। গোপালগঞ্জঃ  গোপালগঞ্জ সদর,কোটালীপাড়া, মুকসুদপুর, টুঙ্গীপাড়া, কাশিয়ানী। কিশোরগঞ্জঃ কিশোরগঞ্জ সদর, কটিয়াদী, ভৈরব, তাড়াইল, হোসেনপুর, পাকুন্দিয়া, কুলিয়াচর, ইটনা, করিমগঞ্জ, বাজিতপুর, অষ্টগ্রাম, মিঠামইন, নিকলী। নরসিংদীঃ  বেলাবো, শিবপুর, মনোহরদী, নরসিংদী, রায়পুরা। নারায়নগঞ্জঃ আড়াইহাজার, বন্দর, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ সদর। ময়মনসিংহঃ ভালুকা, ত্রিশাল, নান্দাইল, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ সদর, হালুয়াঘাট, গৌরীপুর, ফুলবাড়িয়া, গফরগাঁও, ধোবাউড়া, ফুলপুর। মুন্সীগঞ্জঃ গজারিয়া, লৌহজং, শ্রীনগর, মুন্সিগঞ্জ  সদর , সিরাজদীখান, টঙ্গীবাড়ী। মানিকগঞ্জঃ দৌলতপুর, ঘিওর, হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ সদর, শিবালয়, সিঙ্গাইর, সাটুরিয়া। মাদারীপুরঃ কালকিনী, মাদারীপুর সদর, শিবচর, রাজৈর। হবিগঞ্জঃ বানিয়াচং, মাধবপুর, বাহুবল, নবীগঞ্জ, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ সদর, লাখাই, আজমিরিগঞ্জ। মৌলভীবাজারঃ রাজানগর, জুড়ী, মৌলভীবাজার সদর, কমলগঞ্জ, বড়লেখা, কুলাউড়া। সুনামগঞ্জঃ বিশ্বম্ভরপুর, সুনামগঞ্জ সদর, তাহিরপুর, সুল্লা, জামালগঞ্জ, জগন্নাথপুর, দোয়ারাবাজার, ধর্মপাশা, দিরাই। সিলেটঃ বালাগঞ্জ, দক্ষিণ সুরমা,  সিলেট সদর, জকিগঞ্জ, জৈন্তাপুর, গোয়াইঘাট, কানাইঘাট, গোলাপগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, কোম্পানীগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, বিশ্বনাথ। বরগুনাঃ রগুনাসদর, আমতলী, পাথরঘাটা, বেতাগি, বামনা, তালতলী। বরিশালঃ হিজলা, গৌরনদী, মেহেন্দিগঞ্জ, মুলাদি, উজিরপুর, বানারীপাড়া, বাবুগঞ্জ, আগৈলঝাড়া। ভোলাঃ ভোলা সদর, বোরহানউদ্দিন, চরফ্যাশন, দৌলতখান, লালমোহন, তজমুদ্দিন। ঝালকাঠিঃ কাঁঠালিয়া, নলছিটি, রাজাপুর। পটুয়াখালীঃ কলাপাড়া, পটুয়াখালীসদর, দুমকি, মির্জাগঞ্জ, গলাচিপা, দশমিনা, বাউফল, রাঙ্গাবালী। পিরোজপুরঃ ভাণ্ডারিয়া, নাজিরপুর, পিরোজপুরসদর, নেছারাবাদ, স্বরূপকাঠি, জিয়ানগর, মঠবাড়িয়া, কাউখালী। রাজশাহী: বাঘা, চারঘাট, দূর্গাপুর, মোহনপুর, গোদাগারী, বোয়ালিয়া, রাজশাহী সদর, তানোর, বাগমারা,পবা, পুঠিয়া। নাটোর: গুরুদাসপুর, নাটোরসদর, লালপুর, বাগাতিপাড়া, সিংড়া, বড়াইগ্রাম। পাবনা: আটঘরিয়া, বেড়া, সাঁথিয়া, সুজানগর, ভাগুরা, ফরিদপুর, পাবনাসদর, ঈশ্বরদী। সিরাজগঞ্জ: বেলকুচি, কাজীপুর, রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর, তাড়াস, সিরাজগঞ্জসদর, চৌহালি, কামারখন্দ। নওগাঁ: পত্নীতলা, রানীনগর   , মহাদেবপুর, পোরশা , বাদলগাছি, নওগাঁসদর , নিয়ামতপুর। জয়পুরহাট: আক্কেলপুর, কালাই, ক্ষেতলাল, জয়পুরহাটসদর, পাঁচবিবি। বগুড়া: আদমদীঘি, নন্দীগ্রাম, কাহালু, গাবতলী, শেরপুর, বগুড়া, বগুড়া সদর, শাহজাহানপুর, সারিয়াকান্দি, ধুনট, শিবগঞ্জ, দুপচাঁচিয়া। চাপাইনবাগঞ্জ: শিবগঞ্জ, নাচোল, নবাবগঞ্জসদর, ভোলাহাট, গোমস্তাপুর। দিনাজপুর: বিরল, দিনাজপুর সদর, খানসামা, কাহারোল, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট, চিরিরবন্দর, ফুলবাড়ী, বোচাগঞ্জ, বীরগঞ্জ। গাইবান্ধা: গাইবান্ধাসদর, ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, সাদুল্লাপুর, পলাশবাড়ী, গোবিন্দগঞ্জ। কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামসদর, রৌমারী, রাজারহাট, ভুরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী, চিলমারী, উলিপুর, ফুলবাড়ী লালমনিরহাট: লালমনিরহাটসদর, পাটগ্রাম, হাতিবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী। নিলফামারী: নিলফামারীসদর, কিশোরগঞ্জ, জলঢাকা, ডিমলা, ডোমার। পঞ্চগড়: তেতুলিয়া, বোদা, আটোয়ারী, দেবীগঞ্জ। রংপুর: তারাগঞ্জ, পীরগঞ্জ, পীরগাছা, মিঠাপুকুর, কাউনিয়া, বদরগঞ্জ, গঙ্গাচড়া, রংপুর সদর । ঠাকুরগাঁও: পীরগঞ্জ, হরিপুর, বালিয়াডাঙ্গী। বাগেরহাট: বাগেরহাটসদর,শরণখোলা, রামপাল, মোল্লাহাট, মোরেলগঞ্জ, মংলা, ফকিরহাট, চিতলমারী, কচুয়া। চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গাসদর, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা। যশোর: যশোরসদর, ঝিকরগাছা, মনিরামপুর, শার্শা, চৌগাছা, কেশবপুর, অভয়নগর। ঝিনাইদহ: কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহসদর, মহেশপুর, শৈলকূপা, হরিণাকুণ্ড। কুষ্টিয়া: কুমারখালী, খোকসা, কুষ্টিয়াসদর, ভেড়ামারা, দৌলতপুর, মীরপুর। মাগুরা: মাগুরাসদর, মুহাম্মাদপুর, শ্রীপুর, শালিখা। মেহেরপুর: মেহেরপুরসদর, গাংনী, মুজিবনগর। নড়াইল: নড়াইল, নড়াইলসদর, কালিয়া। সাতক্ষীরা: আশাশুনি, কলারোয়া, কালীগঞ্জ, তালা, দেবহাটা, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা সদর। খুলনা: খালিশপুর,  কোতয়ালী, সোনাডাঙ্গা, খানজাহানআলী, পাইকগাছা, ফুলতলা, দিঘলিয়া, রূপসা, তেরখাদা, ডুমুরিয়া, বটিয়াঘাটা, দাকোপ, কয়রা। খাগড়াছড়িঃ  খাগড়াছড়ি সদর, দীঘিনালা, পানছড়ি, মহালছড়ি, মাটিরাঙ্গা, রামগড়, লক্ষীছড়ি, মানিকছড়ি। লক্ষ্মীপুরঃ লক্ষ্মীপুর সদর, রামগতি, কমলনগর, রামগঞ্জ, রায়পুর। রা

রোয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগ নেতার অত্যাচারে অতিষ্ট এলাকাবাসী

ঢাকার ধামরাই উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগ নেতার অত্যাচারে অতিষ্ট এলাকাবাসী

জাতীয় পার্টি নিউজ রিপোর্ট »শীর্ষ সংবাদ


ধামরাই প্রতিনিধি # ঢাকার ধামরাই উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আব্দুল মজিদ এর অত্যাচারে অতিষ্ট এলাকাবাসী , গৃহবধু ঘরছাড়া । গত ১৮ সেপ্টে¤^র মজিদ তার বাহিনী ও অস্ত্রপাতি নিয়ে হামলা চালায় খড়ারচর গ্রামের অসহায় আফজালের স্ত্রী জরনা বেগমের বাড়িতে। জরনা বেগম ঘরের দরজা বন্ধ করে কোন রকম প্রানে রক্ষা পায় । ঘর থেকে বের হলেই তাকে প্রানে মেরে ফেল্রা জন্য অবস্থান করে তার বাড়ি পাশে । পরে ধামরাই থানার এসআই জীবন চন্দ্র বর্মন গিয়ে তাদের দু’পক্ষকেই মারারি না করার জন্য বলেন। এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, নামধারী অশিক্ষিত রাখাল নেতাদের অত্যাচারে প্রকৃত আওয়ামীলীগ নেতারা কোনঠাসা বলে জানালেন, আওয়ামীলীগের প্রবীণ নেতরা। প্রবীণ নেতরা আরো জানান, এমন কোন কাজ নেই যা এই নেতারা করে না, থানার দালালী, ভুমি অফিসের দালালী, জোর করে ভুমি দখল, অকারনে মামলার ভয়, মাদকের ব্যবসা । গড়েছেন টাকার পাহাড়, অট্টালিকা, বিশাল ব্যাংক ব্যালেন্স। এলাকার রয়েছে তার নিজ ভাড়াটে বাহিনী। কথা বললেই শুরু করে শারিরীক নির্যাতন। থানার কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তার সাথে রয়েছে তার গভীর সম্পর্ক , ফাঁসিয়ে দেয় পেন্ডিং মামলায় ও ভয় দেখায় পুলিশের হাজতখানার। ফলে তার ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। এলাকার মূল ধারার আওয়ামীলীগ রাজনীতিবিদরা কেউ তাকে পছন্দ করে না। সম্প্রতি তার সন্ত্রাসী কার্যক্রম ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড থেকে কেউ রেহাই পায়নি। গত২৬ জুলাই/১৫ রোজ শনিবার সিংগাইর থানায় ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়েছিলেন আব্দুল মজিদ। অভিজ্ঞমহল ও বর্তমান ক্ষমতাশীল দলের ত্যাগী নেতারা বলেন এসব নেতার কারণে আওয়ামীলীগ সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে । এই রকম হাইব্রীড নেতাদের বিরুদ্ধে অতি তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নিবেন বলে জানালেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় নেতারা। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

সিংগাইর থানায় ইয়াবাসহ গ্রেফতার- আব্দুল মজিদ

সিংগাইর থানায় ইয়াবাসহ গ্রেফতার- আব্দুল মজিদ


স্টাফ রির্পোর্টার – মানিকগঞ্জ সিংগাইর থানার পুলিশ  অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ তার নিজ বাড়ি থেকে আব্দুল মজিদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।ধামরাই থানার  খড়ারচর গ্রামে মতিউর রহমানের ছেলে।  গত২৬ জুলাই/১৫ রোজ শনিবার   গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ধামরাই উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়ন খড়ারচরের লিগের নেতার দাপটে জনজীবন অতিষ্ট

ধামরাই উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়ন খড়ারচরের লিগের নেতার দাপটে জনজীবন অতিষ্ট

# ধামরাই প্রতিনিধি  # ঢাকার ধামরাই উপজেলার রোয়াইল লিগের নেতা এর অত্যাচারে জনজীবন অতিষ্ট। মজিদ একজন গ্রামের নিকৃষ্ট ও চরিত্রহীন ব্যাক্তি। সে একজন অসাধু ব্যক্তি।সে অস্ত্র দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।এমন কোন কাজ নাই সে করে না।সে এসব করার সুযোগ পায় গ্রামের কিছু অদক্ষ নামধারী নেতাদের কারনে। নামধারী অশিক্ষিত এই মজিদ এর মতো নেতাদের কারনে অত্যাচারে প্রকৃত আওয়ামীলীগ নেতারা কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন।গ্রামের প্রবীন নেতারা জানান এমন কোন কাজ নেই যে তারা করে না।থানার দালালি,ভুম অফিসের দালালি,জোর করে ভুমি দখল,অকারনে মামলার ভয়,অন্যায়ভাবে মানুষকে নির্যাতন করেন,গ্রামের অসহায় মানুষের গাড়ি পোড়ায় যদি তারা তাকে টাকা পয়সা না দিতে চায়।গড়েছেন টাকার পাহাড়,অট্টালিকা ও বিশাল ব্যাংক ব্যালেন্স।এই টাকা দিয়ে সন্ত্রাসী ভাড়া করে তারা নানাভাবে মানুষকে হয়রানি করে।মানুষ এসব না পারে কইতে না পারে সইতে।এলাকার মুলধারার আওয়ামীলীগ রাজনীতি বিদরা কেউ তাদের পছন্দ করে না।বর্তমানে তার সন্ত্রাসি কার্যক্রম ব্যাপক হারে বেরে গেছে।মজিদ ও খারাপ নেতাদের সন্ত্রাসি কর্মকান্ড থেকে কেউ রেহাই পাইনি।এসব দুশ্চরিত্র নেতাদের কারনে আওয়ামীলীগ সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। শুধু মজিদ ই নয় তার সাথে জড়িত তার ভাইয়েরা ও অপকর্ম করতে গিয়ে ধরা খাই।সম্প্রীত কিছুদিন আগে তার ভাইয়েরা অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে জায়গা দখল করে।মজিদ ও তার সঙ্গীদের সাথে হাইব্রিড নেতার অফিসে গিয়ে অপকর্মে লিপ্ত থাকে।গ্রামের মানুষ উপরের কর্মকর্তাদের কাছে তাদের নামে নালিশ করলে তারা মোটা অংকের টাকা খাইয়ে তাদের মুখ বন্ধ করে দেয়।এই রকম অসাধু,দুশ্চরিত্রহীন নেতাদের বিরুদ্ধে অতি তাড়াতাড়ি ব্যাবস্থা নিবেন বলে জানালেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় নেতারা।

কোনো আগাম নির্বাচন নয়,নিউইয়র্কে ইউএন মিশনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কোনো আগাম নির্বাচন নয়,নিউইয়র্কে ইউএন মিশনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০১৯ সালের নির্ধারিত সময়ের আগে সাধারণ নির্বাচনের যে কোনো সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের দোসররা চায় না বাংলাদেশ উন্নতি ও অগ্রগতি অর্জন করুক, তারাই কেবল আগাম নির্বাচন চাইতে পারে।’
মঙ্গলবার বিকেলে ( স্থানীয় সময়) নিউইয়র্কে ইউএন মিশনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরে অর্জিত অগ্রগতি জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় রয়েছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদের উন্নতি করছে। যারা এটা চায় না তারাই কেবল আগাম নির্বাচন নিয়ে হাউকাউ করতে পারে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী আগামী নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে। এ ব্যাপারে কারো দুশ্চিন্তায় থাকা উচিত নয়।’

পসারের সাজে

পসারের সাজে
কামরুল ইসলাম
এবার ভাবছি - তোমার সাথে কাটাকাটি করবো....
করবোই তো - ঐ যে সীমানা প্রাচীর,
চড়ুই বসেছিল কাটাতারে,
মনভোলা কত কাকের আওয়াজ শুনি, সেই প্রাচীর;
নিমডাল পড়ে আছে তার উপর|
চন্দ্রাবলী - তোমার ভেতর এত কাটাতার,
যতটাই টানি, ততটাই বের হয় , কাটাকাটি চলবেই,
সীমানার ওপাশে বসে আছো কোন চন্দ্রাবলী, এতো ছলে
কার মায়াবলে, কোন জলের অশনি বাহনে ?
আমি সীমানার ভেতর অসীমের খোঁজ পাই,
শুনতে পাই প্রেমাবলী, কতকালের উপাখ্যান,
সহস্র বছর ধরে মথুরার বনমালী হয়ে,
কোন কপটে এতো প্রেমাবলী, ওই চন্দ্রাবলীর |
তবু রসতৃষায় কাটাকাটি চলবেই, এ কোন সুধায়
কতকাল পরে পসার সাজিয়ে আমায় কাটে !

"প্রিন্স মুহাম্মাদ বিন সালমান " সময়ের আলোচিত একটি নাম

মনযোগ দিয়ে পড়ুন, অনেক ভুল ভেঙ্গে যাবে!
"প্রিন্স মুহাম্মাদ বিন সালমান "
সময়ের আলোচিত একটি নাম ।
তিনি সৌদি আরবের যুবরাজ ।
ছোট বেলায় তার পিতা
[ যিনি বর্তমান সৌদি বাদশাহ ] অনেক আবেগ আর ভালবাসা নিয়ে পুত্রের নাম নবীজী সা. এর নামের সাথে মিল রেখে মুহাম্মাদ রেখেছেন ।
বাদশাহ সালমান নিজেও একজন হাফেজে কোরআন ।নিজের সন্তানকেও দ্বীনী পড়া লেখা করিয়েছেন ।
.
প্রিন্স মুহাম্মাদের পাশ্চত্য কোন সার্টিফিকেট নেই, তিনি কাবা শরীফের ইমাম সাহেবদের নিকট পড়া লেখা করেছেন ।
.
ছোট বেলা থেকেই তিনি দেশ জাতী ও বিশ্ব মুসলীম উম্মাহ নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতেন ।
তিনিই সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে আছেন ।
.
তিনি বাদশাহ সালমানের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবেও নিয়োজিত আছেন ।
তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই সৌদি আরবের ঐতিহ্য ও স্বকীয়তা পূণরুদ্ধারে অবিরাম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ।
.
এরই ধারাবাহিকতায় ইখওয়ানুল মুসলিমীন, ফিলিস্তিন মুক্তি সংগঠন হামাস, তুরস্কের আশাজাগানিয়া নেতা ও মুসলীম উম্মাহর গর্ব প্রেসিডেন্ট এরদোগান সহ বিশ্ব মুসলিম নেতৃবৃন্দের সাথে সম্পর্ক জোরদার করা হয়েছে ।
এবং হামাস প্রধান খালেদ মাশআল সহ সংগ্রামী ব্যক্তিদের সাথে গুরুত্বপুর্ণ বৈঠক করা হয় ।
.
আর এ সকল মতবিনিময় ও বৈঠকে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রিন্স মুহাম্মাদ । তিনি আরবীয় খান্দানে এক ভীন্ন চিন্তার মানব হিসাবে খ্যাত ।
তার সর্বদা একটাই চিন্তা, তা হল বিশ্ব মুসলীমের হারানো গৌরব ফের আদায় করা ।
.
বর্তমান বাদশাহর আমলে সৌদী নীতিতে আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে । আর এ সব কিছুই সাধিত হয়েছে যুবরাজ মুহাম্মাদের পরামর্শে ।
-কারন, তার চেতনা একেবারেই স্বচ্ছ ।
হারাম শরীফের ইমাম সাহেবগন ছোটবেলা থেকে তাকে আপোষহীনতার শিক্ষাই দিয়েছেন ।
তিনিই সৌদির শত্রু মিত্র নির্ধারন করে দিয়েছেন । বর্তমান সৌদি জনগন আশার প্রহর গুনছেন, ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যত নেতৃত্ব হিসেবে সৌদীর বুকে আশার প্রদীপ জ্বালাবেন যুবরাজ 'মু হা ম্মা দ '।
.
তার পরামর্শেই ইরানী হিংসুক শিয়াদের হাত থেকে ইয়ামানকে বাঁচানোর জন্য বাধ্য হয়ে ইয়ামানে বিমান হামলা করে সৌদী ।
.
সৌদীতে এরকম সাহসী ও সংগ্রামী ব্যাক্তির অস্তিত্বের জন্যই শীয়াগোষ্ঠী ও ইহুদীরা সবচে আতঙ্কে আছে প্রিন্স মুহাম্মাদকে নিয়ে ।
তাই তাকে ফাসানোর জন্য ষড়যন্ত্র করে মিনা ট্রাজেডী ঘটানো হয় । এবং যুবরাজের ইমেজ ধ্বংসের অপচেষ্টা করা হয় ।
.
আজ সৌদী মিডিয়া এঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে । এবং ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রকারী ইরানীদের হুশিয়ার জানানো হয়েছে ।
এবং আরো জানা গেছে, সৌদি সরকার ঘটনার তদন্ত করতে বজ্রকঠিন শপথ নিয়েছেন ।
এবং শত শত সিসি ক্যামেরার চূলচেরা বিশ্লেষণ চলছে ।অপরাধীদের কড়া শিক্ষা দেয়া হবে ।
.
শীর্ষ নিউজ জানিয়েছে, হাজীদের মৃত্যুর ঘটনাটি একটি ষড়যন্ত্র ।
মুসলীম উম্মাহর হৃদস্পন্দন মক্কাকে কলুষিত করতেই এই অপচেষ্টা করা হয়েছে ।
এবং ভবিষ্যত সৌদীর শক্তীশালী নেতৃত্বের অবসান ঘটানোর জন্যই একাজ করেছে শত্রুরা ।
-জানা গেছে, সৌদী আরব শুধু মাত্র হাজীদের সম্মানে হজের সময় যে নিরাপত্তা বেষ্টনী ও ব্যবস্হাপনা করে থাকে,
তা দিয়ে ৫০ টি ফুটবল বিশ্বকাপ একবারেই আয়োজন করা যাবে অনায়াসেই । এত নিরাপত্তার পর ও এই অনাকাঙ্খি ত ঘটনা রহস্যময় ইতিহাস হয়েই থাকবে । বিশ্ব জনমত সে কথাই বলে ।
.
-এরপর ও সৌদী আরবকে কলঙ্কিত করতে ও মুসলীম বিশ্বের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘুরাতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে । আর এতে নাটের গুরু হিসেবে কাজ করছে ইহুদী, খৃষ্টানদের সাথে হাত মিলানো শীয়াগোষ্ঠী ।
.
-আমরা আশাবাদী, সৌদীর আগামী তরুন প্রজন্ম ও নব্য তুর্কীরা ইসলাম বিদ্বেষীদের সকল ষড়যন্ত্রকে ধুলিৎসাত করে দিবে ইনশাআল্লাহ ।
.
-বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ আপডেট ও গোয়েন্দা রিপোর্টে আশা করা যায়, নতুন আরেকটি ইসলামী বিপ্লবের অপেক্ষায় দুনিয়া ।
আর সেটা হয়তো আসবে আরবের ভূমি থেকেই । যার সহযোগী থাকবে নব্য তরুন তুর্কীরা ।
যার সমর্থনে থাকবে হাজার মাইল দূরে, বিশ্বের প্রান্তে প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আমাদের মত নবী প্রেমিক ঈমানদ্বীপ্ত তৌহিদী ছাত্র জনতা ।
.
আর সেই আন্দোলনে ইসলামী দুনিয়ার নেতৃত্ব চলে যেতে পারে আজকের যুবরাজ মুহাম্মাদ এর হাতে । তার চেহারার গভীর ছাপ সে কথারই প্রতিনিধিত্ব করে ।
তার চেহারার মাঝে লুকিয়ে আছে বিজয়ের অভিপ্রায় ।
.
-বিজয় মুসলমানদের পদচুম্বন করবে ।
যুবরাজ মুহাম্মাদের নেতৃত্বেই আসতে পারে মধ্যপ্রাচ্যে অন্যধরনের এক পরিবর্তন । যা হয়তো পাশ্চত্য দুনিয়াকে নাড়িয়ে দিবে ।
বিভিন্ন ঐতিহাসিক পরিসংখান সে ইঙ্গিতই দিচ্ছে আমাদের ।
সেই আশার আলোর সোনালী প্রভাতের অপেক্ষায়....
Imran Bin Kashem ভাইয়ের টাইমলাইন থেকে।

রিমান্ডে সন্দ্বীপের আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তারকৃত শিবির নেতা
-----------------------------------
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) বিশেষ অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তারকৃত শিবির নেতা ও তাঁর দুই সহযোগীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত ।
মঙ্গলবার সকালে শুনানি শেষে আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. বেলাল উদ্দিন এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-পৌর শিবির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহেদ উল্লাহ ও তাঁর দুই সহযোগী মানিক মিয়া ও নীরব মিয়া।
এ ব্যাপারে সন্দ্বীপ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) মো. সাইফুদ্দিন জানান, মঙ্গলবার সকালে পুলিশ গ্রেপ্তারকৃত ওই তিনজনকে আদালতে হাজির করে চার দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক শুনানি শেষে তাদের প্রত্যেকের ৩ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সন্দ্বীপে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা ও পশুর হাটে গুলি করে দুজনকে হত্যার ঘটনার পর গতকাল সোমবার সন্দ্বীপের হারামিয়া এলাকায় র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ২৩টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। সে সময় উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে একটি একে ২২, দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি বিদেশি রিভলবার, চারটি ওয়ান শ্যুটারগান, নয়টি সিঙ্গেল ব্যারেল রাইফেল ও পাঁচটি পাইপগান পাওয়া যায়।