FB LIke Bottom

Saturday, June 11, 2016

বেঁচে গেলেন প্রধানমন্ত্রী!!!!!

বেঁচে গেলেন প্রধানমন্ত্রী!!!!!

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরবে পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে মঙ্গলবার দেশে ফিরেছেন। তবে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি যখন হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করছিল, তখন পাইলট রানওয়েতে ধাতব বস্তু দেখতে পান। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় পাইলট বিমানটি অবতরণ না করে ফের আকাশে উড্ডয়ন করেন। ধাতব বস্তুটি সরানো হলে প্রায় ২০ মিনিট পর বিমানটি অবতরণ করান তিনি।

ধরা যাক, বিমানটি সেই ধাতব বস্তুর ওপর ল্যান্ড করলো! এরপর কী হতো তা ভাবুন একবার। বিচক্ষণ পাইলট প্লেনটি ল্যান্ড না করিয়ে আবার ফ্লাই করেন। অথচ সিগন্যাল অপারেটর ঠিকই প্লেন ল্যান্ডের সিগনাল দিয়ে রেখেছেন। কন্ট্রোল রুম থেকে একেকবার একেক দিকে যেতে বলা হয়ছে। এভাবে কিছুক্ষণ যাওয়ার পর বারবার পাইলটরা প্রকৃত কারণ জানতে চান। অনেক পীড়াপীড়ির পর কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয় যে রানওয়ে সাময়িক বন্ধ আছে। রানওয়ে পরিষ্কার করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অবতরণের কথা ছিল। কিন্তু ফ্লাইটটি সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে অবতরণ করে।

প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট আসার অনেক আগেই বাংলাদেশ বিমানের একটি বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজের ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সেটির উড্ডয়ন বাতিল করা হয়। প্রায় ২৮০ কিলোমিটার বেগে থাকা ওই উড়োজাহাজের ইঞ্জিন থেকে বিভিন্ন ধাতব টুকরা ছিটকে রানওয়েতে পড়ে।

নিয়ম হচ্ছে এ ধরনের কোনো উড্ডয়ন বাতিল হলে রানওয়ে পরিদর্শন করা। কারণ, উচ্চগতিতে থাকা বিমান থামাতে গেলে অনেক সময় চাকা বা অন্য কোনো উপাদান ছিটকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু মঙ্গলবার রানওয়ে পরিদর্শনের এই নিয়ম মানা হয়নি। এ ছাড়া বাংলাদেশ বিমানের নতুন কেনা বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজের ইঞ্জিন এভাবে বিকল হওয়া বা ইঞ্জিনের ভেতর থেকে ধাতব টুকরা ভেঙে ছিটকে পড়াটাও অস্বাভাবিক।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, নতুন কেনা বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজের ইঞ্জিন এভাবে বিকল হওয়া বা ইঞ্জিনের ভেতর থেকে ধাতব টুকরা ভেঙে ছিটকে পরার কারণ কেনো এখনো অনুসন্ধান করা হয়নি?

উড্ডয়ন বাতিল হলে রানওয়ে পরিদর্শন করার নিয়ম থাকলেও কেনো বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজের ইঞ্জিন এভাবে বিকল হওয়া বা ইঞ্জিনের ভেতর থেকে ধাতব টুকরা ভেঙে ছিটকে পরার পর সে স্থান কোনো বিমান কর্মকর্তা পরিদর্শন করেননি?

রানওয়েতে প্রধানমন্ত্রীর প্লেনের ল্যান্ডিং স্থানে কেনো সে সময় ধাতব বস্তু ছিলো? তারা কী জানতেন না প্রধানমন্ত্রী ল্যান্ড করবেন?

কেনো রানওয়ে আগে থেকে পরিষ্কার করা হয়নি?

কেনো ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমে এসএসএফ সদস্যরা কোনো অপারেটর বা কর্মকর্তাকে পাননি?

কেনো কন্ট্রোল রুম থেকে একেকবার একেক দিকে বিমান নিয়ে যেতে বলা হয়ছে পাইলটদের?

তার মানে এই দাঁড়ায়, তারা ধরেই রেখেছে প্লেনটি ল্যান্ড করবে এবং অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটবে। তাই তারা রানওয়ে পরিষ্কার করেননি। এ সময় রানওয়ে পরিষ্কারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত এসএসফ সদস্যরা বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক রুমে গিয়ে দায়িত্বরত কাউকে খুঁজে পাননি। এ কারণে আরো ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় লাগে রানওয়ে পরিষ্কার করতে।

একজন প্রধানমন্ত্রী সাথে এ কেমন রসিকতা? তিনি বাংলাদেশের সরকার প্রধান।

এর জট খোলা দরকার এবং সেই সাথে এটাও জেনে রাখা প্রয়োজন বিমানবন্দরের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা ইফতেখার জাহানকে ২০১১ সালে কর্মরত অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করে। এ কারণে তাকে বদলি করা হয়। কোনো এক অদৃশ্য ক্ষমতা বলে এই ইফতেখার জাহান আবার একই পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। গত ১৮ এপ্রিল যাত্রীর টাকা চুরির দায়ে তাকে সতর্ক করেছিলো ভ্রাম্যমাণ আদালত।

তবে কী সেই? নাকী অন্য কোনো কুশীলব?

দায়িত্বশীলদের সাসপেন্ড বা প্রত্যাহার করাই শেষ কথা নয়। এর ঘটনার পেছনে কী কলকাঠি রয়েছে বা কার ইন্ধন রয়েছে এ রহস্যে বের করতে হবে।

তাদের উদ্দেশ্য কী ছিলো? প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করে প্লেন ক্রাশ বলে চালিয়ে দেয়া??

যেই বিমান বন্দরে প্রধানমন্ত্রীর জীবনের নিরাপত্তা নেই সেখানে সাধারণ যাত্রীরা কতটুক নিরাপদ?

ব্যাগ, ল্যাগেজ নিয়ে টানাটানি থেকে শুরু করে জীবন নিয়ে পর্যন্ত বিমান বন্দরের কর্মকর্তারা টানাটানি করে৷

আল্লাহর রহমত আছে বলেই শেখ হাসিনা আবার প্রাণে বেঁচেছেন।

Friday, June 3, 2016

বিশ্বের ৫০ মহান নেতার মধ্যে শেখ হাসিনা দশম l

বিশ্বের ৫০ মহান নেতার মধ্যে শেখ হাসিনা দশম l

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাবিশ্বের মহান ৫০ জন নেতার তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কভিত্তিক ব্যবসা-বাণিজ্যবিষয়ক সাময়িকী ফরচুন। এর মধ্যে ২৩ জনই নারী। সার্বিক তালিকায় ১০ নম্বরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ফরচুন সাময়িকীর নিজস্ব ওয়েবসাইটে গতকাল বৃহস্পতিবার তালিকাটি প্রকাশ করা হয়। এতে স্থান পেয়েছেন রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, মানবহিতৈষী, শিল্পীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার এমন সব মানুষ, যাঁরা বিশ্বকে বদলে দিতে নিজেরা ভূমিকা রেখে চলেছেন; একই কাজে অন্যদের অনুপ্রাণিত করছেন।
তালিকায় ১ নম্বরে রয়েছেন অনলাইনে কেনাকাটার জনপ্রিয় মার্কিন ওয়েবসাইট আমাজন ডট কমের প্রধান নির্বাহী (সিইও) জিফ্রে প্রিস্টন বেজস। তারপরের দুজনই নারী। ২ নম্বরে রয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল; ৩ নম্বরে আছেন মিয়ানমারে শিগগিরই সরকার গঠন করতে যাওয়া দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেতা অং সান সু চি।
তালিকার প্রথম ১০ জনের মধ্যে পাঁচজনই নারী। ম্যার্কেল ও সু চি ছাড়া অন্য তিনজন হলেন জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক কাঠামো সনদের নির্বাহী সচিব ক্রিস্টিনা ফিগুয়েরেস (৭ নম্বর), মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের সহযোগী বিচারক রুথ ব্যাডার গিনসবার্গ (৯ নম্বর) ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনার বিষয়ে ফরচুন বলেছে, তিনি নিজ দেশে নারীদের অধিকার এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের নারীদের জন্য আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করেছেন। পাশাপাশি তিনি নারীদের অধিকতর শিক্ষা, আর্থিক স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক ক্ষমতা দিতে কাজ করছেন।
ফরচুন-এর তালিকায় স্থান পাওয়া অন্য নারীদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের রিপাবলিকান গভর্নর নিকি হ্যালি (১৭) ও নারীদের কম্পিউটার বিজ্ঞানে উৎসাহিত করতে কাজ করা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘গার্লস হু কোড’-এর সিইও রেশমা সৌজানি (২০)। রেশমা ডেমোক্রেটিক রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত। দুজনই ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক।
এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের নারী স্কাউটের সিইও আনা মার্সিয়া চাভেজ (২৪), মার্কিন কংগ্রেসের গ্রন্থাগারের প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান প্রধান কার্লা হেইডেন (২৫), কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার রক্ষার আন্দোলন ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’-এর তিন যৌথ প্রতিষ্ঠাতা অ্যালিসিয়া গার্জা, প্যাট্রিসিয়া কিউলরস ও ওপাল টোমেটি (২৭ নম্বর) ও চীনের ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক চাই জিং (২৮) ফরচুন-এর তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

Sunday, May 22, 2016

এই পৃথিবীর অনেক মনিষী বলেছেন সময়ের সিধান্ত সময়েই নিতে হয়

এই পৃথিবীর অনেক মনিষী বলেছেন সময়ের সিধান্ত সময়েই নিতে হয়। আর এই বাক্যটি চরম সত্য। কেননা সময়ের কাজ সময়ে না করলে যেমন সফলতা আসেনা ঠিক তেমনি সময়ের সিধান্ত সময়ে নিতে না পারলে পরে আফসোস করতে হয়, তখন আর কিছুই করার থাকেনা। এখন সময় এসেছে আমার আপনার সূচিন্তিত মতামতের ভিত্তিতে যার যার এলাকার বর্তমান সরকারের উন্নয়নের গতিকে অব্যাহত রাখতে একজন সূশীল, সৎ, বিশস্ত, এবং মানবতার কল্যাণে যে কাজ করবে তাকে এলাকার বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করা। সময় বেশী নেই তাই এখনই আপনার বিবেককে জাগ্রত করতে হবে, সিধান্ত নিতে হবে, আর এই এই সিধান্ত আমরা আশা করি আমাদের আবুল কালাম শামসুদ্দিন মিন্টু ভাই পক্ষেই নিবেন। কেন নিবেন ? একটু ভাবুন,কারন অন্যন্য ইউনিয়নে যেখানে বিরোধী পক্ষ প্রচারনাই চালাতে হিমশিম খাচ্ছে সেখানে আমাদের রোয়াইল ইউনিয়নে মিন্টু ভাই সরকার দলীয় সমর্থিত প্রাথী থাকা অবস্থায় বিরোধী পক্ষ বা অন্যন্য প্রাথী সাবলিল ভাবে তাদের প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন, কোন রকম বাধা বিপত্তি নেই, কোন রকম ভয়ভীতি নেই, নেই কোন সরকার দলীয় প্রভাব। এতেই প্রমান হয় মিন্টু ভাইয়ের মনোভাব কেমন, তিনি মানুষের রায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধি হতে চাচ্ছেন, তিনি মানুষের বিশাসের প্রতিদান দেওয়ার জন্য প্রতিনিধি হতে চাচ্ছেন। তাই আসুন মিন্টু ভাইয়ের পাশে থাকি, তাকে পথ চলতে সহায়তা করি, তার তরুণ মানসিকতাকে কাজে লাগাই।

Thursday, May 19, 2016

ইসরাইলের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে বিএনপি: প্রধানমন্ত্রী।

ইসরাইলের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে বিএনপি: প্রধানমন্ত্রী।

ক্ষমতার লোভে বিএনপি বৈরী শক্তি ইসরাইলের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লন্ডনে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে, তিনি এ অভিযোগ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে মানুষ খুন ও জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলনের হোতা বিএনপি, ফিলিস্তিনের মানুষের রক্তচোষা ইসরাইলকে বন্ধু বানাচ্ছে। কেবল ক্ষমতার লোভে ওরা সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছে, মোসাদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে। তিনি বলেন, মানুষ পোড়ানো আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি-জামায়াত এখন গুপ্তহত্যায় নেমেছে। শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বিদেশি নাগরিক, ব্লগার, শিক্ষাবিদ-কেউই ওদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেনা। তবে, দেশের চলমান উন্নয়নে সরকারের ভূমিকায় সন্তুষ্ট জনগণের সামনে, কোনো ষড়যন্ত্রই টিকবেনা।

Thursday, May 12, 2016

২০১১ সাল.. রোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নতুন এক মুখ।অনেকদিন ধরেই রাজনীতির সাথে জরিত তবে সক্রিয় রাজনীতিতে তখনই

২০১১ সাল..
রোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নতুন এক মুখ।অনেকদিন ধরেই রাজনীতির সাথে জরিত তবে সক্রিয় রাজনীতিতে তখনই প্রথম।জি,এলাকার মানুষের অনেক আশা প্রত্যাশার অবসান ঘটিয়ে এই মানুষটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে নাম লেখালেন।
মানুষটির নাম-আবুল কালাম সামসুদ্দিন মিন্টু।মানুষ যাকে ভালোবেসে শুধু মিন্টু বলে ডাকে।
.
আস্তে আস্তে নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে।সবার মুখে শুধু একটাই নাম-মিন্টু..মিন্টু।ছোট থেকে শুরু করে বৃদ্ধ মানুষটির মুখে একটি কথাই- মিন্টুক চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।এলাকার উন্নয়ন দেখতে চাই।
.
ছোট থেকে বড় সবার কাছে মিন্টু ভাইয়ের এই জনপ্রিয়তা দেখে হঠাৎ কিছু দালাল চক্র জেগে উঠলো।জি,এলাকার কিছু দালাল চক্র।এই দালাল চক্রের একটাই লক্ষ্য,যে করেই হোক মিন্টুকে প্রতিহত করো।কারণ,মিন্টু চেয়ারম্যান হলে এলাকায় উন্নয়ন এর জোয়ার বইবে।কিছুতেই এলাকার উন্নয়ন হতে দেওয়া যাবে না,মিন্টুকে চেয়ারম্যান হতে দেওয়া যাবে না।
মিন্টু ভাই ব্যাপারটিকে পাত্তা দিলেন না।ভাইয়ের বিশ্বাস ছিলো-যে এলাকার মানুষগুলো তাকে এতো ভালোবাসে,সে এলাকার মানুষ তার বিরুদ্ধে কেন যাবে?
কিন্তু বাস্তবতা বড়ই নিষ্ঠুর।শেষের দিকে এই দালাল চক্র এতটাই ভয়ংকর হয়ে উঠলো যে,তারা তাদের সরবোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করে এলাকার সাধারণ মানুষকে ভয় ভীতি দেখিয়ে মিন্টু ভাইকে চেয়ারম্যান হতে দিলো না।নামমাত্র কিছু ভোটে মিন্টু ভাই হেরে গেলেন।মিন্টু ভাইয়ের এই পরাজয়ে ইউনিয়ন এর মানুষ ভেংগে পড়লেন।তাহলে কি রোয়াইল ইউনিয়ন এর উন্নয়ন হবে না? সব মানুষ যেখানে কান্নায় ভেংগে পরেছে,সেখানে এই দালাল চক্র প্রতিপক্ষের সাথে নাচানাচিতে ব্যস্ত।তাদের প্ল্যান সফল হয়েছে।মিন্টুকে তারা চেয়ারম্যান হতে দিলো না।
.
দিন যাচ্ছে.. দালাল চক্র ইতোমধ্যে ভেবে বসে আছে,মিন্টু মনে হয় আর সাধারণ মানুষের পাশে দাড়াবে না।কিন্তু,দালাল চক্র হয়ত তখনও ভাবে নি যে.. মিন্টুর শরীরে সংগ্রামী রক্ত বহমান।তাকে দাবায়ে রাখা সম্ভব না।মানুষের ভালোবাসায় আবারও দ্বিগুন উৎসাহে নতুন করে শুরু করলেন।
.
২০১৬ সাল..
আবারও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।এবার একটু ভিন্ন আংগিকে।দলীয় প্রতীকে।মিন্টু ভাই দলীয় ভাবে মনোনয়ন পেলেন নোকা প্রতীকে।এবারও মানুষের ভালোবাসা,উৎসাহে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।মানু্ষের ভালোবাসা যখন এবারও চরম পর্যায়ে,তখন আবারও এলাকার কিছু দালাল চক্র মাথা তুলে দাড়িয়েছে।এবার এই দালাল চক্রের মুখগুলো ভিন্ন।তাদেরও একই চিন্তা,মিন্টুর প্রতিপক্ষের সাথে হাত মিলিয়ে যে করেই হোক মিন্টুকে প্রতিহত করা,রোয়াইল এর উন্নয়ন হতে না দেওয়া।
.
কি চিন্তায় পড়ে গেলেন?
চিন্তার কিছু নেই।রোয়াইল ইউনিয়ন এর মানুষ আজ সদা জাগ্রত।একাত্তরে যেমন বাংলার মানুষ ঘরে ঘরে দূরগো গড়ে তুলেছিলো,আজ রোয়াইল ইউনিয়ন এর মানুষও এই দালাল চক্রের বিরুদ্ধে দূরগো গড়ে তুলেছে।
রোয়াইল ইউনিয়ন এর মানুষ আজ বদ্ধ পরিকর।সকল অন্যায়,অনিয়ম রুখে দিয়ে দলে দলে স পরিবারে ভোট দিয়ে মিন্টু ভাইকে জয়যুক্ত করবেই..করবে।
মিন্টু ভাইয়ের নেতৃত্বেই রোয়াইল ইউনিয়ন হবে বাংলাদেশের রোল মডেল।উন্নয়ন এর জোয়ারে ভাসবে আমাদের এই রোয়াইল ইউনিয়ন।
শুধু এই মানুষটির সাথে থাকুন,সাপোর্ট করুন,ভোট দিন।ইন-শা-আল্লাহ মিন্টু ভাই আপনার এই ভোটের প্রতিদান তার জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও দিবেন।
.
‪#‎জয়_বাংলা‬
‪#‎মিন্টু_ভাই‬
‪#‎দেখা_হবে_বিজয়ে‬
‪#‎আল্লাহ্‌_ভরসা‬

Thursday, May 5, 2016

আমি এক রাত জাগা পাখি সবাই ঘুমিয়ে গেলে একলা জেগে থাকি

আমি এক রাত জাগা পাখি
সবাই ঘুমিয়ে গেলে একলা জেগে থাকি,
বসে বসে আকাশের তারা
গুনি নদীর কলোকলো শব্দ শুনি।
আমি এক রাত জাগা পাখি
গভীর রাতে একলা জেগে থাকি,
বকুল তলায় নিরবে বসে থাকি
মনের তুলিতে অনেক ছবি আঁকি।
আমি এক রাত জাগা পাখি
রাত জেগে চাঁদ মামাকে ডাকি,
চাঁদ মামা ডাক শুনে কাছে আসে
কাছে এসে নিরবে যায় ভালবেসে।
আমি এক রাত জাগা পাখি
নিঝুম রাতে একলা পথ চলি,
একা একা অনেক কথা বলি
এভাবেই সময় যায় চলি।
আমি এক রাত জাগা পাখি
অনেকেই আমাকে দিয়ে যায় ফাঁকি,
মনের কষ্ট মনে চেপে রাখি
এভাবে যাবে চলে সময় যতটুকু আছে বাকি।

Saturday, April 30, 2016

মহাকালের স্রোতে বিশ্বব্যাপী কতশত আয়োজন, সেই আয়োজনের পান্থশালায় রোদ আর আলোর অপূর্ব নৃত্য

মহাকালের স্রোতে বিশ্বব্যাপী কতশত আয়োজন, সেই আয়োজনের পান্থশালায় রোদ আর আলোর অপূর্ব নৃত্য । জারুল পুস্পের সাথে অজানা বুনোফুল, পাখির সুর, তাপদহের ভেতর মৃদুমন্দ বাতাসের পবিত্র গতি, তা যেন সর্ব্বব্যাপী আনন্দধারায় হৃদয়-উন্মীলন করে। জাগতিক রাগ-অনুরাগ, মান-অভিমান আলোকিত আনন্দধারা কত সহজে মলিন হয়ে 'অপরিমেয় জ্যোতি:সম্পদ' অগোচরে বিলুপ্ত হয় । সৌন্দর্য শান্তির অনুধ্যানে আলোই আনন্দ, সেই আলো মানব ও প্রকৃতির মহাকালের মিলন বন্ধন। প্রতিক্ষণে যে প্রেম, যে ভালোবাসা হৃদয়ে জন্ম নেয়, প্রতিমুহূর্তে তার সাথে পূর্বের সংযোগ ঘটে। পূর্ণিমার চন্দ্রালোকের মতো অন্তরের উপলব্ধি কতকাল পরে দিগদিগন্ত পূর্ণ করে এলে, সেই পূর্ণ রূপ আনন্দরূপমমৃতং । মানব জীবনের অন্তর উপলব্ধি প্রেমে, সৃজনশীলে,জ্ঞানে, কর্মে; আমার ভাব লীলায় অভিব্যক্তির যে সুর, তা যে পবিত্র চিত্তের নির্মল প্রকাশ। অন্তরাত্মায় বিকশিত, আন্দোলিত যে প্রেম, তা কী জাগতিক উৎসব-প্রাঙ্গনে প্রবৃত্তির ধুলায় ধ্বংস হয়ে যায়?
অসীম বৈচিত্র্যের জগতে সর্ব্বমুহূর্তে পরম প্রেমই চিরারাধ্যতম, ইন্দ্রিয় শক্তির প্রাচুর্য আনন্দে, প্রেমে । রাগ-বিরাগে, অহেতুক অবহেলায় মনের সম্পদকে বিসর্জন দিও না; কারণ প্রেমের সত্যই সর্বত্র জ্যোতি, সেই অমৃত, তাহাই চিরন্তন, তাহাই মহাকালের সুর ...সেই অমৃতসুরে অন্তরদেবতা বিকশিত প্রকাশিত হোক। বিনম্র চিত্তে বলি, অভিমানী সৌন্দর্য, ফিরে এসো..প্রাচুর্যে, ঐশ্বর্যে, অমৃতরূপে।

Saturday, April 23, 2016

১টি ছেলে বিয়ে করার জন্য মেয়ে দেখতে গেল।মেয়েটা তার ভাল লাগলো। তারপর সবাই সবার সবকিছু খোজ খবর নিলো।

১টি ছেলে বিয়ে করার জন্য মেয়ে দেখতে গেল।মেয়েটা তার ভাল লাগলো। তারপর সবাই সবার সবকিছু খোজ খবর নিলো।
তার ১৫ দিন পর ছেলেটার পক্ষ থেকে মানুষ জন গিয়ে মেয়েটার হাতে আংটি পড়িয়ে দেয় আর বিয়ের কথা পাকা করে আসে।তারপরে তাদের মাঝে ফোনালাপ চলতে থাকে।
তার ৩ দিন পর ফোনের আলাপ আলোচন :-
‪#‎ছেলে‬:- আচ্ছা তুমি কি আরও পড়তে চাও ???
‪#‎মেয়ে‬ :- হ্যা... কারণ আমার আশা ছিল ডাঃ হবো।
#ছেলে:- ডাঃ হলে তুমি খুশি হবে ???
#মেয়ে :- হ্যা.. এটাই আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া খোদার কাছে। আর চাইলে কি সব পারবো !!!
#ছেলে:- কেনো ???
#মেয়ে :- কারণ.. ১। আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে.. ২। আমার বাবার এত টাকা নাই।
#ছেলে:- আমার তো আছে। তোমাকে আর কিছু দিতে পারি আর না পারি।তবে তোমার আশাটা আমি পুরন করব !!! তুমি কি পড়তে রাজি ???
মেয়ে :- হ্যা. কিন্তু বিয়ের আর মাএ ৯ দিন বাকী..সেটার কি হবে ???
#ছেলে:- এটা আমার উপর ছেড়ে দাও !!!
#মেয়ে :- OK.
ছেলে তার ফেমিলির সবাইকে বুঝিয়ে বলে, আর সবাই রাজি হল। মেয়ের লেখা পড়ার জন্য সব খরচ ছেলেটা দিচ্ছে এবং দেখা শুনা ঠিকমত ছিল কিন্তু কিছু দিন পর ।
#মেয়ে :- আমার ১টা কথা রাখবে ???
#ছেলে:- হ্যা. বল আমি কি করতে পারি ???
#মেয়ে :- কিছু মনে করনা। আমার সাথে আর দেখা করিওনা !!!
#ছেলে:- কিন্তু কেনো ???
মেয়ে :- তোমাকে দেখলে নিজেকে ধরে রাখতে পারিনা। ওদিকে আমার পরীক্ষার ২ বছর বাকী। যদি,,ফেল করি সমাজে মুখ দেখাতে পারবো না। আর তোমার টাকা ও কষ্ট বিথা যাবে।
#ছেলে:- OK. কিন্তু ফোনে কথা বলবা না ???
#মেয়ে :- হ্যা.
#ছেলে:- ok.
২ বছর পর মেয়েটা পরীক্ষা দিল এবং পাশ করল।সেই খুশিতে মেয়ের বাড়ীতে মেহমান বরপুর।কিন্তু ছেলেটাকে বলল না ।কারণ এখন ঐ ছেলেকে স্বামী হিসেবে সবার সামনে পরিচয় করাতে পারবে না বলে ।তার ১৫ দিন পর মেয়েটা একটি চেম্বার নিয়ে বসে।তখন জানতে পেরে ছেলেটা তাকে ফোন করলে,মেয়েটা ফোন কেটে দেয় এবং বন্ধ করে দেয়।
ছেলেটা তার বাড়ীতে যায় । আর মেয়ে তাকে বলল...
#মেয়ে :- আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং মনে কষ্ট নিওনা। আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারবো না !!!
#ছেলে:- কেন:???
#মেয়ে :- কারণ তুমি আমার যোগ্য না এবং লেখা পড়াও জানো না ।
#ছেলে:- আমাদের ফেমিলি থেকে যে সব ঠিক করা ???
#মেয়ে :- ওটা আগে ছিল। আমি এখন তা মানতে পারবোনা ।
#ছেলে:- দু চোখ ভরা কান্না নিয়ে বলল । OK. আমিতোমার জন্য দোয়া করি ভাল থেকো। বলে চলে আসলো।
কিছু দিন পরে ছেলেটা অসুস্থ হয়ে পড়ে । আর ঐ দিকে মেয়েটা এক হাসপাতালের বড় ডাঃ হয়।ছেলেটার অবস্থা খারাপ দেখে ঐ হাসপাতালে নিয়েযায়।
ঐ খানে এক ডাঃ তাকে দেখে চিনে ফেলে।আর ওর ফেমিলির সবাইকে বকা জকা করল। কারণ অনেক লেট করে ফেলেছে। তখন মেয়েটা ঐ ডাঃ কে বলল আপনি ওদের বকছেন কেন ??? তখন ডাঃ বলল এই মানুষটা আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগে ওর বউয়ের ডাক্তারী পড়তে টাকা লাগবে বলে ১টি ‪#‎কিডনী‬ বিক্রি করল। আমি নিষেধ করলে সে বলল আমার বউ ডাঃ হলে আমাকে সে ভালো করে দিবে... তা শুনে,,মেয়েটার চোখ থেকে জল নেমে এল !!!
কি লাভ এখন কান্না করে,,আসলে সব/কিছু মেয়েরাই ‪#‎স্বার্থপর‬,,, তাদের স্বার্থের জন্য তারা সব করতে পারে,,,

Friday, April 22, 2016

অগ্নিকণ্যা মতিয়া চৌধুরী মোটা ভাত কাপড়ের জীবন বাংলার অগ্নীকণ্যার।

অগ্নিকণ্যা মতিয়া চৌধুরী
মোটা ভাত কাপড়ের জীবন বাংলার অগ্নীকণ্যার।
এখনো বদলাননি একটুও। মোটা কাপড় পরেন। চলাফেরা সাদামাটা। নেই সাজগোজ। সরকারি গাড়ি কিংবা অফিসে এসি থাকলেও ব্যবহার করেন না। সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী হলেও চলার পথে পুলিশ প্রটেকশনের গাড়ি নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন না। আলোচিত এ ব্যক্তিত্ব হলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী।
রাষ্ট্রীয় কাজের ব্যস্ততার মাঝেও নিজেই বাজার-সদাই করেন। কারওয়ানবাজার থেকে সংসারের জন্য চাল, ডাল, শাকসবজি, মাছ ও মাংস কেনেন দরদাম করে। খাদ্য তালিকায় কোনো আভিজাত্যের ছোঁয়া লাগেনি। বরাবরের মতো মোটা চালের ভাত, শাকসবজি, ভর্তা আর তরি-তরকারিই আছে এখনো। ছাত্র ইউনিয়নের কর্মীরা একদিন ভালোবেসে তাকে ভাবতো অগি্নকন্যা বলে। সেই নেত্রী ক্ষমতাধর হওয়ার পরও সাধারণ জীবনযাপন করছেন। কোনো লোভ-লালসা তাকে তার আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। সেই রাজপথের নেত্রী ক্ষমতাসীন হয়েও সদাসতর্ক। সম্প্রতি তিনি গণমাধ্যমের কাছ থেকে নিজেকে আড়াল করে রেখেছেন। সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন না। অনেকের কৌতূহল, নীরব কেন বেগম মতিয়া চৌধুরী?
সরকারের গুরু দায়িত্ব তার কাঁধে। সাপ্তাহিক ছুটি কিংবা সরকারি বন্ধের দিন ছাড়া ঘুম থেকে ওঠেন ভোরে। সকাল ৮টার মধ্যে নাশতা পর্ব শেষ করেন। সোয়া ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকার লোকজন ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সাক্ষাৎ দেন। এরপর সাড়ে ৯টার মধ্যে রাষ্ট্রীয় কিংবা দলীয় কর্মসূচি না থাকলে সচিবালয়ের নিজ দফতরে পেঁৗছান। বিকাল ৫টা পর্যন্ত টানা আট ঘণ্টা অফিস করলেও সরকারি অর্থে কোনো খাবার গ্রহণ করেন না।
ঘটনাবহুল রাজনৈতিক জীবন তার। রয়েছে নানা দুর্বিষহ স্মৃতি। একবার-দুইবার নয়, ১৫ বার জেলে গেছেন। বছরের পর বছর আত্মগোপনে কাটিয়েছেন। কিন্তু মাথানত করেননি। আর্থিক সমৃদ্ধির প্রলোভন দেখানো হয়েছে। তবুও নিজের অবস্থান থেকে একচুলও নড়েননি। দুঃখ-কষ্টের দিন শেষ করে আজ তিনি ক্ষমতায়। সরকারের মুখ্য ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম। সেখানেও তার আদর্শ ও অবস্থান অবিচল। বেগম মতিয়া চৌধুরীর নামটি তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরাও সম্মানের সঙ্গে উচ্চারণ করেন। তার জন্ম ১৯৪২ সালের ৩০ জুন। পিরোজপুরের নজিপুর উপজেলার মাহমুদকান্দায় তার পৈতৃক নিবাস। পিতা মহিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ছিলেন মাদারীপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। মা নুরজাহান বেগম গৃহিণী। লেখাপড়ায় হাতেখড়ি মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের এক গৃহশিক্ষকের কাছে। পিতার চাকরির সুবাদে মতিয়া চৌধুরীর শৈশব কেটেছে মাদারীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও জামালপুর শহরে। ১৯৫৮ সালে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী কামরুন্নেসা গার্লস কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে ম্যাট্রিক পাস করেন। কলেজে ভর্তি হয়ে ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৬০ সালে তৎকালীন ইডেন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট ও ১৯৬২ সালে বিএসসি পাস করেন। ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭৩ সালে ন্যাপের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে ন্যাপ ছেড়ে যোগ দেন আওয়ামী লীগে। ১৯৮৬ সালে দলের কৃষি সম্পাদকের পদ পান। ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন হলে তিনি কৃষি, খাদ্য ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ২০০২ সালে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৬৪ সালের ১৮ জুন পারিবারিকভাবেই খ্যাতিমান সাংবাদিক বজলুর রহমানের হাতে হাত রেখে নতুন জীবন শুরু করেন। ২০০৮ সালে স্বামীর মৃত্যু তাদের জীবনে বিচ্ছেদ ঘটায় ।