FB LIke Bottom

Thursday, October 1, 2015

"নির্ভীক অনলাইনে প্রদীপ্ত বঙ্গবন্ধু প্রেমে" আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শেখ হাসিনার যতো অর্জন

"নির্ভীক অনলাইনে প্রদীপ্ত বঙ্গবন্ধু প্রেমে"
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শেখ হাসিনার যতো অর্জন
১৯৯৯ থেকে শুরু। দীর্ঘ এই সময়ে অনেকগুলো পদক এবং পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল, ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পদক, ডক্টর অব লজ থেকে শুরু করে পার্ল এস বাক পুরস্কার অর্জন করেছেন মুজিবকন্যা। সর্বশেষ তিনি চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্যা আর্থ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
এক নজরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যতো অর্জন:
১৯৯৯: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ এবং প্রচেষ্টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারির স্বীকৃতি।
১৯৯৯: মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদানের জন্য ২০ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি অর্জন।
১৯৯৯: ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এফ এ ও থেকে ‘সেরেস পদক’ লাভ।
২০০০: রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাকন ওমেনস কলেজ ‘পার্ল এস বাক পদক’ লাভ।
২০০০: ব্রাসেলসের ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি ‘Doctor Honorius Causa’ গ্রহণ।
২০০০: এই বছরেরই ৫ সেপ্টেম্বর ‘University of Bridgeport’ কানেকটিকাট, যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনাকে ‘Doctor of Humane Letters’ প্রদান করে বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নে অবদানের জন্য।
২০০৫: গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শান্তির পক্ষে অবদান রাখার জন্য জুন মাসে শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি অব রাশিয়া।
২০১০: শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস করার লক্ষ্য MDG-4 অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘ MDG ( Millennium Development Goal) Award প্রদান করে।
২০১০: আন্তর্জাতিক উন্নয়নে অসমান্য অবদানের জন্য সেন্ট পিটাসবার্গ ইউনিভার্সিটি ২০১০ সালের ২৩ নভেম্বর শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদান করে।
২০১০: ‘ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পদক-২০০৯’ এ ভূষিত হন শেখ হাসিনা।
২০১১: ইংল্যান্ডের হাউস অব কমন্সের স্পিকার Jhon Bercow MP গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দূরদর্শী নেতৃত্ব, সুশাসন, মানবাধিকার রক্ষা, আঞ্চলিক শান্তি ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে অনবদ্য অবদানের জন্য শেখ হাসিনাকে Global Diversity Award প্রদান করেন।
২০১১: স্বাস্থ্যখাতে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নারী ও শিশু মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য International Telecommunication union ( ITU ) South South News এবং জাতিসংঘের আফ্রিকা সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কমিশন যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে South South Award 2011: Digital Development Health পুরস্কারে ভূষিত করে ।
২০১২: বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বিশেষ অবদানের জন্য UNESCO ১৬ জুন মুজিবকন্যা শেখ হাসিনাকে ‘Cultural Diversity’ পদকে ভূষিত করে।
২০১৩: খাদ্য নিরাপত্তা এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর সাউথ সাউথ কোঅপারেশন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবারো সাউথ সাউথ পুরস্কারে ভূষিত করে।
২০১৩: শেখ হাসিনার স্বপ্ন প্রসূত ‘একটি বাড়ি ও একটি খামার প্রকল্প’ ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত তথ্য-প্রযুক্তি মেলায় ২৩ সেপ্টেম্বর সাউথ এশিয়া ও এশিয়া প্যাসিফিক ‘Manthan Award’ ২০১৩ পদকে ভূষিত হন।
২০১৩: জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা ( এফএও) দারিদ্রতা, অপুষ্টি দূর করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করায় ১৬ জুন ‘Diploma Award’ পদকে ভূষিত করে।
২০১৪: নারী ও শিশু শিক্ষা ও উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য ইউনেস্কো শেখ হাসিনাকে শান্তিবৃক্ষ পদকে (Peace Tree Award ) ভূষিত করে।
এছাড়াও খাদ্য উৎপাদন ও তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য সেপ্টেম্বর ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটি তাকে সম্মাননা সার্টিফিকেট প্রদান করে।
২০১৫: ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন ও তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘ শেখ হাসিনাকে ITU (International Telecom Union ) Award প্রদান করে।
২০১৫: WIP ( Women in Parliament ) Global Award লাভ। রাজনীতিতে নারী পুরুষের বৈষম্য কমানোর ক্ষেত্রে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালনের জন্য ২৫ মার্চ ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় এই পুরস্কার দেয়া হয়।
২০১৫: চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ পুরস্কার লাভ। জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকি মোকাবেলায় জাতিসংঘ শেখ হাসিনাকে এই পুরস্কারে ভূষিত করে।

হে, জাতিৱ জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুৱ ৱহমান তোমাৱ যোগ্য উত্তৱসূৱী,

হে,
জাতিৱ জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুৱ ৱহমান তোমাৱ যোগ্য উত্তৱসূৱী, গণতন্ত্ৰেৱ মানসকণ্যা, বাংলাৱ সূৰ্য সন্তান, সৃজনশীল ও সৃষ্টিশীল বাংলাৱ ৱুপকাৱ, মাননীয় প্ৰধানমন্ত্ৰী জননেত্ৰী শেখ হাসিনা, যখন এসে পা ৱাখলেন- সেই সেদিন তৎক্ষনাৎ, আকাশ-বাতাস, প্ৰকৃতিৱ কান্নায়, বাঁধ ভাঙ্গা মানুষেৱ ঢল নেমেছে, এই বুঝি এলেন হাজাৱ বছৱেৱ শ্ৰেষ্ঠ সন্তান জাতিৱ জনক শেখ মুজিবুৱ ৱহমান, আবাল-বৃদ্ধ বনিতাৱ অশ্ৰুসিক্ত চোখ মুছে দিয়ে সোনাৱ বাংলা গড়াৱ জন্যে কিন্তু না তিনি শেখ মজিব নন, যিনি এলেন তাৱ দমনীতে শেখ মজিব ৱক্ত বহমান, দৃঢ় প্ৰত্যয় ৱত সোনাৱ বাংলা গড়াৱ নিমিত্তে, আগামী ৩শৱা অক্টোবৱ, সেই গঠনাৱ পূৰ্ণাবৃত্তি কৱতে চাইছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আবাৱ নামিবে লক্ষ জনতাৱ শাহজালাল আন্তৰ্জাতিক বিমান বন্দৱে থেকে ৱাস্তাৱ দু-পাশে লক্ষকন্ঠে উচ্চাৱিত হবে,
চ্যাম্পিয়ন্স অফ দ্যা আৰ্থ- মজিবেৱ সোনাৱ বাংলাৱ দেশ!!!
ব্যাশ ব্যাশ-সাবাস বাংলাদেশ!!
শেখ মজিবেৱ সোনাৱ বাংলাৱ ৱুপকাৱ- শেখ হাসিনাৱ সৱকাৱ!!!

মুম্বাই বোমা বিস্ফোরণের পর ভারতের মাটিতে সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তিটির নাম দাউদ ইব্রাহিম।

দাউদ ইব্রাহিমের ১০ ঠিকানা
ফিচার ডেস্ক
মুম্বাই বোমা বিস্ফোরণের পর ভারতের মাটিতে সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তিটির নাম দাউদ ইব্রাহিম। মুম্বাই ও দিল্লি পুলিশ একযোগে দাউদ ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ঘোষণা করলে পলাতক জীবন যাপন শুরু হয় তার। এরপর থেকে বেশ কয়েকবার তাকে গ্রেপ্তারের জন্য ভারত সরকার চেষ্টা করলেও, সবকটি চেষ্টাই ব্যর্থ হয়। গত কংগ্রেস সরকারের আমলে জানা যায় দাউদ ইব্রাহিম দুবাই আছেন। কিন্তু তারপরেও কিছু করা যায়নি। সম্প্রতি জানা যায়, দাউদ ইব্রাহিম দুবাইতে নয় পার্শ্ববর্তী দেশ পাকিস্তানেই আছেন বহলা তবিয়তে।
পাকিস্তানের মাটিতে অন্তত ৯-১০টি ঠিকানা দাউদ ইব্রাহিমের। যদিও পাকিস্তান ও তার ‘বিশ্ববন্দিত’ খুফিয়া এজেন্সি ‘ভদ্রলোকে’র টিকি-টাও খুঁজে পায় না। ঠিক যেভাবে আরেক ‘বিশ্ববন্দিত ও চর্চিত ব্যক্তিত্ব’ ওসামা বিন লাদেনকে খুঁজে পেত না পাকিস্তান। সেই একই পদ্ধতিতে দাউদকেও খুঁজে পায় না। কারণটা স্পষ্ট। ভারতের শত্রু - পাকিস্তানের মিত্র। বন্ধুকে কী করে বাঁচাতে হয়, তা পাকিস্তানের কাছে শিখতে হয়। ওরা আর যাইহোক ‘গাদ্দার’ নয়। সেটা বিন লাদেন, হাফিজ, সইদ বা দাউদ ইব্রাহিমের উদাহরণ দেখলেই বোঝা যায়। গাদ্দার ওদের দেশে জন্মায় না। গাদ্দার জন্মায় এদেশে। এদেশের খেয়ে-পরে, বোমা মেরে নিরীহ মানুষ খুন করে যারা পালিয়ে যায় শত্রুদেশে। নিজেদের বীরপুরুষ বলে মনে করে। তাদের নিয়ে সিনেমা তৈরি হয়। কোটি কোটির টাকার প্রোডাকশন হয়। নাম ছড়িয়ে পড়ে দেশে-বিদেশে। এদেশের মাটিতে চলতে থাকে তোলাবাজি, আফিম-চরস-গাঁজার রমরমা ব্যবসা। টাকা খাটে বলিউডে। আরও কত কী।
যাইহোক, এহেন এক ‘বীরপুরুষে’র ঠিকানা পাকিস্তান খুঁজে না পাওয়ায়, শেষপর্যন্ত ভারতের তরফেই খুব সম্প্রতি তার ঠিকানার একটি তালিকা তুলে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের হাতে।
১. মইন প্যালেস, আবদুল্লাহ শাহ গাজ, দরগা, ক্লিফটন, করাচি
২. ৬/এ, খয়াবান তনজিম, ফেজ - ৫, ডিফেন্স হাউজং এরিয়া, করাচি
৩. ISI সেফ হাউজড, ভউভান হিল, ইসলামাবাদ-মুরি রোড
৪. মারগালা রোড, পি-৬/২, স্ট্রিট নম্বর - ২২, হাউজ নম্বর ২৯, ইসলামাবাদ
৫. ১৭ সিপি বাজার সোসাইটি, ব্লক ৭-৮, আমির খান রোড, করাচি
৬. স্ট্রিট নং - ৩০, ফেজ-৫, DHA এক্সটেনশন করাচি
৭. আবদুল্লাহ শাহ গাজ, মাজার, করাচি
৮. ফ্লোর - ৮, মেহরান স্কয়্যার, পরদেশি হাউজ-৩, তালওয়ার অঞ্চল, ক্লিফটন, করাচি
৯. নুরিয়াবাদের পাহাড়ি এলাকায় একটি বিলাসবহুল বাংলো
এছাড়াও ভারতের হাতে এসেছে দাউদের স্ত্রী মেহজবিনের নামে এপ্রিল ২০১৫-র একটি টেলিফোন বিল যাতে ঠিকানা লেখা ডি-১৩, ব্লক-৪, করাচি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি, ক্লিফটন। (যদিও ৫ মে, ২০১৫ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী হরিভাই চৌধারি লোকসভায় বলেন, দাউদ কোথায় আছে, তা জানা নেই। পরে ১১ মে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং সংসদে বিবৃতি দেন দাউদ পাকিস্তানেই আছে। গতমাসে দু-দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা পর্যায়ের প্রস্তাবিত বৈঠকে দাউদের ঠিকানার এই লিস্ট পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য ভারত একটি ডসিয়ার তৈরি করেছিল। পরে সেই বৈঠক স্থগিত হয়ে যায়। উপরে দেওয়া তালিকা তারই অংশ বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ।)
ইসলামাবাদ বরাবরই বলে এসেছে দাউদ পাকিস্তানে থাকে না। তবে এক ফেরার ভারতীয় নাগরিককে নিজেদের দেশে একাধিক বাসস্থান ও একাধিক পাসপোর্ট দিতে তাদের অসুবিধা হয় না। তবে ওই পাসপোর্টের কোনও সরকারি রেকর্ড নাকি নেই পাকিস্তানে। ইসলামাবাদের ইন্টারপোল ডিভিশন বলছে, এমন কোনও দাউদ ইব্রাহিম সেদেশে থাকেই না। এবং কোনও পাসপোর্টও নেই সেই নামে। তবে ভারতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী যে পাসপোর্টগুলি দেওয়া হয়েছে, তার তালিকা এরকম -
দাউদের নামে পাসপোর্টের নম্বর - G-866537 (রাওয়ালপিন্ডি থেকে ইস্যু করা)
দাউদের নামে দ্বিতীয় পাসপোর্টের নম্বর - C-267185 (করাচি থেকে ইস্যু করা)
দাউদের নামে তৃতীয় পাসপোর্টের নম্বর- KC-285901 (করাচি থেকে ইস্যু করা)
এছাড়াও
দাউদের স্ত্রী মেহজবিনের নামে পাসপোর্টের নম্বর - J-589103
ছেলে মইনের নামে পাসপোর্টের নম্বর - J-588518,
মেয়ে মারুখের নামে পাসপোর্টের নম্বর - J-563473
আরেক মেয়ে মেহরিনের নামে পাসপোর্টের নম্বর - J-563439
দাউদের ভাই অনিসের নামে পাসপোর্টের নম্বর - H-144394
আরেক ভাই মুস্তাকিনের নামে পাসপোর্টের নম্বর - KA-713357
বিশ্বের ১ নম্বর সন্ত্রাসবাদী ছিল ওসামা বিন লাদেন। আর বর্তমানে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডনদের তালিকায় দাউদের স্থান দ্বিতীয়। (প্রথম স্থানে রয়েছে মেক্সিকোর মাদক-ব্যবসায়ী জোয়াকুইন গুজম্যান।) এইসব হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিত্বদের দেশের মাটিতে জায়গা করে দেওয়া কি কম বড় কথা? পাকিস্তান এক অসাধারণ নজির স্থাপন করেছে পৃথিবীর ইতিহাসে।
ঠিক যেভাবে ইতিহাস তৈরি করেছিল দাউদ নিজে। ১৯৯৩ সালে মুম্বাইয়ে সিরিয়াল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে, নিয়ে নিয়েছিল ২৫৭টি নিরীহ প্রাণ। বিছানায় শুইয়ে দিয়েছিল ৭১৩ জনকে। তারপরেও ভারতীয় ইন্টেলিজেন্স তার টিকি-টাও ধরতে পারেনি। (তবে তার ব্যবসা চল

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত পূর্নাঙ্গ ভাষণ:

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত পূর্নাঙ্গ ভাষণ:
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
সম্মানিত সভাপতি,
আসসালামু আলাইকুম এবং Very Good Morning to you all.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় আমি আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।
বিগত এক বছর সাধারণ পরিষদে অসাধারণ নেতৃত্ব প্রদানের জন্য আমি মান্যবর Sam Kutesa-কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
জনাব সভাপতি,
শুধু জাতিসংঘ নয়, সামগ্রিক অর্থে সারাবিশ্বের জন্য এ বছরটি আমূল পরিবর্তনের বছর। এ বছরই বিশ্ব সংস্থার ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ‘আমাদের নিয়তি একইসূত্রে গাঁথা’ আমাদের পূর্বসূরীদের এই বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে এই বিশ্বসংস্থার গোড়াপত্তন। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা এবং উন্নয়ন ও মানবাধিকারের অগ্রগতির জন্য জাতিসংঘ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে আসছে। সত্তর বছর ধরে জাতিসংঘ মানব সম্প্রদায়ের জন্য আশা-আকাক্সক্ষার প্রতীক হয়ে আছে।
টেকসই উন্নয়নের জন্য এই বছরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আদ্দিস আবাবায় অনুষ্ঠিত উন্নয়নের জন্য অর্থায়ন শীর্ষক শীর্ষ-সম্মেলন এবং নিউ ইয়র্কে সদ্যসমাপ্ত ২০১৫-পরবর্তী উন্নয়ন শীর্ষ সম্মেলন গোটা বিশ্বের জনগণের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। এ বছরের শেষে প্যারিসে আমরা একটি অর্থবহ জলবায়ু চুক্তিতে উপনীত হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আমরা আশা করছি দারিদ্র্য নিরসন, জলবায়ু পরিবর্তন সীমিত রাখা এবং ধরিত্রীকে সুরক্ষার মাধ্যমে আমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত নিশ্চিত হবে।
জনাব সভাপতি,
বিশ্বে মানব সভ্যতার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে আজ আমরা সবচেয়ে বড় দুটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছি। যার প্রথমটি হচ্ছে সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস জঙ্গিবাদ। বিশ্বশান্তি ও উন্নয়নের পথে এটি প্রধান অন্তরায়। সন্ত্রাসীদের কোন ধর্ম নেই। সন্ত্রাসবাদ এবং জঙ্গিবাদ একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সকল রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করতে হবে।
আমি নিজে সন্ত্রাস এবং সহিংস জঙ্গিবাদের শিকার। আমার পিতা বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, তিন ভাই এবং অন্যান্য নিকট আত্মীয়দের ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। আমি নিজেও কমপক্ষে ১৯ বার সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছি। আমার সরকার সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ, সহিংস জঙ্গিবাদ এবং মৌলবাদের প্রতি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে বিশ্বাসী। বাঙালি জাতির গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে যারা লিপ্ত রয়েছে, সেসব চরমপন্থী ও স্বাধীনতা-বিরোধী শক্তির মোকাবিলায় আমরা সদা-তৎপর।
দ্বিতীয়ত, জলবায়ু পরিবর্তন একটি মারাত্মক উন্নয়ন হুমকি হিসেবে আবির্র্ভূত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ কার্যকরভাবে মোকাবেলা করা সম্ভব না হলে, আমাদের উন্নয়ন প্রচেষ্টা এগিয়ে নেওয়া কোনভাবেই সম্ভব হবে না। নতুন উন্নয়ন এজেন্ডায় পরিস্কারভাবে বলা হয়েছে আমাদের এই ধরিত্রী, এর প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য এবং জলবায়ু সংরক্ষণের জন্য সকল কার্যক্রম বাস্তবায়নে সকলের দৃঢ় প্রত্যয় থাকতে হবে। আমাদের সামনে সামান্যই সুযোগ অবশিষ্ট আছে। এ বিশ্বকে নিরাপদ, আরও সবুজ এবং আরও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে আমাদের অবশ্যই সফলকাম হতে হবে।
জনাব সভাপতি,
আমরা মনে করি, টেকসই ‌উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে - SAARC, BIMSTEC এবং BCIM–EC এর মত আঞ্চলিক সংস্থা প্রতিষ্ঠায় নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করে চলেছে। এছাড়া, বাংলাদেশ, ভূটান, ভারত এবং নেপালের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য আমরা অবকাঠামো উন্নয়নের পদক্ষেপ নিয়েছি।
আমরা লক্ষ্য করছি অভিবাসন এবং মানব চলাচল আজ নতুনভাবে ইতিহাস এবং ভৌগলিক পরিসীমা নির্ধারণে নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০৩০ উন্নয়ন এজেন্ডায় উন্নয়নের জন্য অভিবাসন একটি গুরুত্বপূর্ণ উপযোগ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। অভিবাসনের পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সহযোগিতা প্রয়োজন। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে, উৎস এবং গন্তব্য দেশ হিসেবে আমরা ২০১৬ সালে Global Forum on Migration and Development (GFMD)-র নেতৃত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
জনাব সভাপতি,
বিগত কয়েক বছরে শান্তিরক্ষা এবং শান্তি নির্মাণ জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম প্রধান শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ গর্বিত। এ পর্যন্ত আমাদের সাহসী শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যগণ বিশ্বের ৪০টি দেশের ৫৪টি মিশনে নিয়োজিত হয়েছেন। আমরা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বোচ্চ সংখ্যক নারী

বহুমাত্রিক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা-র ৬৬ তম জন্মবাষর্িকী উদযাপিত হলো |

বহুমাত্রিক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা-র ৬৬ তম জন্মবাষর্িকী উদযাপিত হলো | উদ্বোধক সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক, সম্মানিত অতিথি কাজী রোজী, এমপি ; প্রফেসর হারুন অর রশীদ, প্রফেসর মনিরুজ্জামান, ড. রণজিত কুমার বিশ্বাস, সিরাজুল হক খান, ড. মোহীত উল আলম, কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী, 'সমকালের প্রতিনিধি কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা' শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন কবি কামরুল ইসলাম,'বক্তব্য রাখেন কবি বিমল গুহ, রবীন্দ্র গোপ, সৈয়দা আনোয়ারা হক, আলম তালুকদার, ফয়জুল লতিফ চৌধুরী, মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, কবিপত্নী সাঈদা হুদা, স্বাগত বক্তব্য নিশাত খান, ধন্যবাদ জ্ঞাপন কবি ফরিদ আহমেদ দুলাল, সঞ্চালনায় কবি হাসান মাহমুদ, নাহিদা আশরাফী , সভাপতিত্ব করেন কবি মতিন বৈরাগী | ফুলের শুভেচ্ছা ও প্রতিক্রিয়ায় কবি নাসের মাহমুদ, মজিদ মাহমুদ, সরকার মাহবুব, তপন বাগচী, কলকাতা থেকে আগত মানসী কীর্তনীয়া,তাহমিনা কোরাইশী, দীলতাজ রহমান, রহীম শাহ, আসাদুল্লাহ, ড. শাহাদাত হোসেন নিপু, মনি হায়দার, শামসুল আলম বেলাল, আশরাফ জুয়েল, নাইম আহমেদ, গোলাম মোশর্েদ চন্দন, রোকেয়া ইসলাম, আনোয়ার কামাল, সোহাগ সিদ্দিকী, সালেক নাসির উদ্দিন, শুভ্রা নীলঞ্জনা, জেবুননেসা হেলেন,সাইদা নাইম, আয়েশা জেবিন, শাহানা সিরাজী, ইসমাত শিল্পী, আফরোজা কনা, চন্দ্রশিলা ছন্দা, অদ্রি আরিফ, দীপ্তি ইসলাম, সংগীতে তুষার (ভারত).তপন বাগচীর লেখা গান পরিবেশন করেন নূরিতা নুসরাত খন্দকার | এ ছাড়াও বিভিন্ন সংগঠন ফুলের শুভেচ্ছা জানান| স্থান: কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তন, জাতীয় জাদুঘর | আয়োজক: বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব |৩০/৯/২০১৫

এমন লোকটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি

এমন লোকটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি
ইনিই হলেন আমার দেশের মহান রাষ্ট্রপতি,,,,,
এ ছবির নিচের অংশে কালো দাগের মধ্যে একটা বিকৃতি লেখা ছিল, ওটা আমি মুচে ফেলে এখন যা আছে তা লিখলাম, এমন একজন সাদাসিদা মানুষকে নিয়ে এমন নোংড়া মন্তব্য করতে পারে তা আমার জানা ছিলনা, এ ধরনের একটা ছবি যদি বিদেশি কোন রাষ্ট্রপতির হত তাহলে আমার দেশের অনেক লোক শেয়ার ও মন্তব্য করে ফেসবুক পুরাই ফেলত, অথচ এ লোকটা শুধু বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বলেই তার কোন প্রচার নাই, যে দেশে গুণীজনের সম্মান হয়না সে দেশে গুণীজনের সম্মান হবে কি করে,,,,,
আল্লাহ উনাকে দীর্ঘজিবী করুক এবং সুস্থ রাখুন,,,

সন্ত্রাসীদের কোন ধর্ম নেই’

সন্ত্রাসীদের কোন ধর্ম নেই’
সন্ত্রাসবাদ এবং জঙ্গিবাদ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ,
এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সকল রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করতে হবে।

আমি নিজে সন্ত্রাস এবং সহিংস জঙ্গিবাদের শিকার।
আমার পিতা বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, তিন ভাই এবং অন্যান্য নিকট আত্মীয়দের ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। আমি নিজেও কমপক্ষে
১৯ বার সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছি।

আমার সরকার সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ, সহিংস জঙ্গিবাদ
এবং মৌলবাদের রিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে বিশ্বাসী।

বাঙালি জাতির গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও ধর্ম নিরপেক্ষ
চরিত্র ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে যারা লিপ্ত রয়েছে, সেসব চরমপন্থী ও স্বাধীনতা-বিরোধী শক্তির মোকাবিলায় তার সরকার সদা-তৎপর।

জাতিসংঘ ৭০তম সাধারণ
অধিবেশনে বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসডিজি অর্জনেও সফল হবে বাংলাদেশ

এসডিজি অর্জনেও সফল হবে বাংলাদেশ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বছরের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি)-২০৩০কে একটি সম্মিলিত যাত্রা হিসেবে বর্ণনা করে বলেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এটি বাস্তবায়নের উপায় খুঁজে বের করতে হবে।
তিনি বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য সরকারি ও বেসরকারি এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনসহ সকল উৎস থেকে আমাদেরকে সম্পদ সংগ্রহ করতে হবে। তা না হলে লক্ষ্য পূরণ কষ্টকর হবে।
জাতিসংঘ সদর দফতরে বাংলাদেশের নিজস্ব সাইড ইভেন্ট হিসেবে আয়োজিত এমডিজি ও এসডিজি’র ওপর এক উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
৭০তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্কে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ওই অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডের রাজা উইলিয়াম আলেক্সান্ডার, বেনিন প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট বোনি ইয়া’ই, সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী স্টিফান এল ফেভেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট মোগেনস লেকটোফট, ইউএনডিপি’র প্রশাসক হেলেন ক্লার্ক, ইউএন আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতিনিধি গায়ান চন্দ্র আচার্য এবং বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত মাহমুদ মহিউদ্দিন বক্তব্য রাখেন।
শেখ হাসিনা এতে সমাপনী ভাষণ দেন। তিনি আরও বলেন, এমজিডি অর্জনের মতো এসডিজি অর্জন করে বাংলাদেশ আরো একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
বাংলাদেশকে একটি প্রগতিশীল, শান্তিপূর্ণ এবং সমৃদ্ধশালী দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘এই যাত্রায় কেউ পিছু হটবে না।’
শেখ হাসিনা বলেন, প্রযুক্তি এবং উন্নয়ন ও জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশের জন্য ব্যাপক সমর্থন প্রয়োজন।
বাংলাদেশে বিশেষ করে স্বাস্থ্য, কৃষি, জ্বালানি ও পরিবহন খাতে পরিবেশ উপযোগী প্রযুক্তি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।
এসময় বাংলাদেশকে একটি উন্নয়ন বিস্ময় দেশ হিসেবে উল্লেখ করেন বিশ্ব নেতারা।
প্রধানমন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেক উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় বাংলাদেশে অনেক বেশি অগ্রগতি হয়েছে।অনেক উন্নয়ন চিন্তাবিদদের ধারণা বাংলাদেশ ভুল প্রমাণিত করেছে।

একটি শোক সংবাদ

একটি শোক সংবাদ
------------------------------
বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ, ঢাকা মহানগর (উ:) এর সংগ্রামী যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, মো:মনির হোসেন এর পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আব্দুল খালেদ ফরাজী সাহেব গতকাল সন্ধা ৭.00 ঘটিকার সময় নিজ বাস ভবনে ইন্তেকাল করেন l ইন্না লিল্লাহি ওঁয়া ইন্না ইলাহী রাজিউন.....
উঁনার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সান্তনা দিতে ও তার রূহের মাগফিরাত কামনায় মরহুমের তাজমহল রোডের বাড়িতে উপস্থিত বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ এর কেন্দ্রীয় এবং মহানগর (উ:) এর নেতা-কর্মী বৃন্দগণ l
জয় বাংলা !
জয় বঙ্গবন্ধু !!
জয় বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ !!!